Saturday, January 17, 2026

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন: আন্তর্জাতিক সতর্কতা

যুক্তরাজ্যের চার সংসদ সদস্যের সাম্প্রতিক বিবৃতি মুহাম্মদ ইউনুসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের মুখোশ আরও একবার খুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত সুপরিকল্পিত দাঙ্গার মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলকারী এই অবৈধ কাঠামো এখন ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি নির্বাচনী প্রহসনের আয়োজন করতে চলেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে যে নির্বাচনের পরিকল্পনা করা হচ্েছ, তা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক বলে বিবেচিত হতে পারে না।

ইউনুস এবং তার দোসররা যেভাবে সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় এবং ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলোর সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছেন, তা বাংলাদেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার প্রতি সরাসরি আঘাত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকারকে রাস্তার সহিংসতা এবং সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এখন সেই অবৈধ কাঠামোই নির্ধারণ করছে কোন দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে, কোন দল পারবে না। এটি কেবল গণতন্ত্রের প্রতি উপহাস নয়, জনগণের মৌলিক অধিকারের প্রতি চরম অবমাননা।

যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জাস আথওয়াল এবং ক্রিস ল-এর বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে এমন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা জাতিসংঘ এবং যুক্তরাজ্যসহ বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের মিত্র দেশগুলোর নির্দেশনার সম্পূর্ণ বিপরীত। তারা পরিষ্কার করে বলেছেন, কোনো অনির্বাচিত সরকারের বাংলাদেশের ভোটারদের ওপর এমন বিধিনিষেধ আরোপ করার অধিকার নেই। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন, তা কখনোই গণতান্ত্রিক হতে পারে না।

আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আস্থা ও সমর্থন নিয়ে এই দল বারবার ক্ষমতায় এসেছে। এই দলকে নিষিদ্ধ করে নির্বাচন করার অর্থ হলো কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া। ইউনুস এবং তার সমর্থকরা যতই চেষ্টা করুন না কেন, বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগকে মুছে দেওয়া সম্ভব নয়। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচনই বাংলাদেশের জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।

যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্যরা তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশ একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু এই নির্বাচন যদি সত্যিকারের অংশগ্রহণমূলক না হয়, যদি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমোদন না পায়, তাহলে তা বাংলাদেশের জন্য ন্যায়বিচার, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি আনতে পারবে না। মুক্ত, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন ছাড়া লাখ লাখ সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে এবং ভোট দিতেই যাবে না।

বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে মেরুকৃত হয়ে আছে, এটা ঠিক। সব দলই এর জন্য কিছুটা দায়ী। কিন্তু জাতীয় পুনর্মিলন অর্জন করতে হলে, থেমে থাকা অর্থনৈতিক উন্নয়ন আবার গতিশীল করতে হলে, ভবিষ্যৎ যে কোনো সরকারকে জনগণের প্রকৃত সম্মতি নিয়ে শাসন করতে হবে। বাংলাদেশকে এই নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক বহুত্ববাদের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে বিরোধী দলগুলো গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু ইউনুসের অবৈধ শাসনামলে তা কি আদৌ সম্ভব?

যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম নিকটতম বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার। এই সম্পর্কের গভীরতা থেকেই ব্রিটিশ সংসদ সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আটক, বিচার ব্যবস্থার পদ্ধতিগত ব্যর্থতা এবং গণমাধ্যম কর্মীদের স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তারের বিষয়ে। এগুলো নিছক অভিযোগ নয়, বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইউনুস সরকার যে গণতান্ত্রিক নীতিমালার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে দাবি করে, তা কেবল মুখের কথা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিটিশ সংসদ সদস্যরা তাদের সরকার এবং জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউনুসকে তার গণতান্ত্রিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে, বাংলাদেশের সব নাগরিকের নাগরিক অধিকার সুরক্ষা করতে এবং নির্বাচন মুক্ত, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নিশ্চিত করতে চাপ প্রয়োগ করতে। এটি একটি স্পষ্ট বার্তা যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইউনুসের ভণ্ডামি এবং স্বৈরাচারী আচরণ চিনতে পারছে।

সুদখোর মহাজন হিসেবে পরিচিত ইউনুস এখন রাজনীতির ময়দানে নিজেকে ত্রাণকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছেন। কিন্তু তার অবৈধ ক্ষমতা দখল, বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ মদদ এবং জঙ্গিবাদের সাথে আঁতাত বাংলাদেশের জনগণের কাছে স্পষ্ট। জুলাইয়ের দাঙ্গা যে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল, তা এখন আর কারও কাছে গোপন নয়। বিদেশি অর্থ এবং সামরিক বাহিনীর সমর্থন ছাড়া ইউনুস একদিনও ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারতেন না।

এখন প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচন হতে চলেছে, তা কি আদৌ নির্বাচন বলা যায়? উত্তর হলো না। এটি একটি নামসর্বস্ব প্রহসন, যার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ইউনুস এবং তার মিত্রদের অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই প্রহসন মেনে নেবে না।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আওয়ামী লীগের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই দল ছাড়া বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনই পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। যারা মনে করছেন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করা যাবে, তারা স্বপ্ন দেখছেন। বাস্তবতা হলো, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে এবং রাজনৈতিক চেতনায় গভীরভাবে প্রোথিত।

ইউনুস এবং তার অবৈধ সরকার যতই চেষ্টা করুক, তারা ইতিহাসের চাকা পেছনে ঘোরাতে পারবে না। বাংলাদেশের জনগণ জানে কে তাদের প্রকৃত প্রতিনিধি এবং কারা ক্ষমতার জন্য বিদেশি প্রভুদের সেবা করছে। ফেব্রুয়ারির এই তথাকথিত নির্বাচন হয়তো অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু তা কখনোই বাংলাদেশের জনগণের ম্যান্ডেট পাবে না। দুনিয়ার কোনো গণতান্ত্রিক দেশ এই প্রহসনকে বৈধ নির্বাচন বলে স্বীকৃতি দেবে না।

যুক্তরাজ্যের চার সংসদ সদস্যের সাম্প্রতিক বিবৃতি মুহাম্মদ ইউনুসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের মুখোশ আরও একবার খুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত সুপরিকল্পিত দাঙ্গার মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলকারী এই অবৈধ কাঠামো এখন ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি নির্বাচনী প্রহসনের আয়োজন করতে চলেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে যে নির্বাচনের পরিকল্পনা করা হচ্েছ, তা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক বলে বিবেচিত হতে পারে না।

ইউনুস এবং তার দোসররা যেভাবে সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় এবং ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলোর সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছেন, তা বাংলাদেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার প্রতি সরাসরি আঘাত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকারকে রাস্তার সহিংসতা এবং সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এখন সেই অবৈধ কাঠামোই নির্ধারণ করছে কোন দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে, কোন দল পারবে না। এটি কেবল গণতন্ত্রের প্রতি উপহাস নয়, জনগণের মৌলিক অধিকারের প্রতি চরম অবমাননা।

যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জাস আথওয়াল এবং ক্রিস ল-এর বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে এমন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা জাতিসংঘ এবং যুক্তরাজ্যসহ বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের মিত্র দেশগুলোর নির্দেশনার সম্পূর্ণ বিপরীত। তারা পরিষ্কার করে বলেছেন, কোনো অনির্বাচিত সরকারের বাংলাদেশের ভোটারদের ওপর এমন বিধিনিষেধ আরোপ করার অধিকার নেই। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন, তা কখনোই গণতান্ত্রিক হতে পারে না।

আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আস্থা ও সমর্থন নিয়ে এই দল বারবার ক্ষমতায় এসেছে। এই দলকে নিষিদ্ধ করে নির্বাচন করার অর্থ হলো কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া। ইউনুস এবং তার সমর্থকরা যতই চেষ্টা করুন না কেন, বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগকে মুছে দেওয়া সম্ভব নয়। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচনই বাংলাদেশের জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।

যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্যরা তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশ একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু এই নির্বাচন যদি সত্যিকারের অংশগ্রহণমূলক না হয়, যদি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমোদন না পায়, তাহলে তা বাংলাদেশের জন্য ন্যায়বিচার, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি আনতে পারবে না। মুক্ত, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন ছাড়া লাখ লাখ সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে এবং ভোট দিতেই যাবে না।

বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে মেরুকৃত হয়ে আছে, এটা ঠিক। সব দলই এর জন্য কিছুটা দায়ী। কিন্তু জাতীয় পুনর্মিলন অর্জন করতে হলে, থেমে থাকা অর্থনৈতিক উন্নয়ন আবার গতিশীল করতে হলে, ভবিষ্যৎ যে কোনো সরকারকে জনগণের প্রকৃত সম্মতি নিয়ে শাসন করতে হবে। বাংলাদেশকে এই নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক বহুত্ববাদের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে বিরোধী দলগুলো গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু ইউনুসের অবৈধ শাসনামলে তা কি আদৌ সম্ভব?

যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম নিকটতম বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার। এই সম্পর্কের গভীরতা থেকেই ব্রিটিশ সংসদ সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আটক, বিচার ব্যবস্থার পদ্ধতিগত ব্যর্থতা এবং গণমাধ্যম কর্মীদের স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তারের বিষয়ে। এগুলো নিছক অভিযোগ নয়, বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইউনুস সরকার যে গণতান্ত্রিক নীতিমালার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে দাবি করে, তা কেবল মুখের কথা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিটিশ সংসদ সদস্যরা তাদের সরকার এবং জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউনুসকে তার গণতান্ত্রিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে, বাংলাদেশের সব নাগরিকের নাগরিক অধিকার সুরক্ষা করতে এবং নির্বাচন মুক্ত, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নিশ্চিত করতে চাপ প্রয়োগ করতে। এটি একটি স্পষ্ট বার্তা যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইউনুসের ভণ্ডামি এবং স্বৈরাচারী আচরণ চিনতে পারছে।

সুদখোর মহাজন হিসেবে পরিচিত ইউনুস এখন রাজনীতির ময়দানে নিজেকে ত্রাণকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছেন। কিন্তু তার অবৈধ ক্ষমতা দখল, বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ মদদ এবং জঙ্গিবাদের সাথে আঁতাত বাংলাদেশের জনগণের কাছে স্পষ্ট। জুলাইয়ের দাঙ্গা যে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল, তা এখন আর কারও কাছে গোপন নয়। বিদেশি অর্থ এবং সামরিক বাহিনীর সমর্থন ছাড়া ইউনুস একদিনও ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারতেন না।

এখন প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচন হতে চলেছে, তা কি আদৌ নির্বাচন বলা যায়? উত্তর হলো না। এটি একটি নামসর্বস্ব প্রহসন, যার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ইউনুস এবং তার মিত্রদের অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই প্রহসন মেনে নেবে না।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আওয়ামী লীগের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই দল ছাড়া বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনই পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। যারা মনে করছেন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করা যাবে, তারা স্বপ্ন দেখছেন। বাস্তবতা হলো, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে এবং রাজনৈতিক চেতনায় গভীরভাবে প্রোথিত।

ইউনুস এবং তার অবৈধ সরকার যতই চেষ্টা করুক, তারা ইতিহাসের চাকা পেছনে ঘোরাতে পারবে না। বাংলাদেশের জনগণ জানে কে তাদের প্রকৃত প্রতিনিধি এবং কারা ক্ষমতার জন্য বিদেশি প্রভুদের সেবা করছে। ফেব্রুয়ারির এই তথাকথিত নির্বাচন হয়তো অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু তা কখনোই বাংলাদেশের জনগণের ম্যান্ডেট পাবে না। দুনিয়ার কোনো গণতান্ত্রিক দেশ এই প্রহসনকে বৈধ নির্বাচন বলে স্বীকৃতি দেবে না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ