Saturday, January 17, 2026

মব আর সন্ত্রাসে ঘাটতি নেই, বাণিজ্যে ঘাটতি রেকর্ড

চলতি অর্থবছরের মাত্র পাঁচ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে নয় হাজার চারশো কোটি ডলারে। এই বিশাল অংকটা টাকায় হিসাব করলে কত দাঁড়ায় জানেন? প্রায় এক লাখ তেরো হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ডলারে লিখলে সংখ্যাটা ছোট দেখায়, তাই না? ঠিক যেভাবে এই অবৈধ সরকার দেশের সকল সমস্যাকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করছে।

দেশ আজ যে পথে এগোচ্ছে, তাতে সোমালিয়ার সাথে তুলনা করাটা খুব একটা বাড়াবাড়ি মনে হয় না। জুলাই মাসে দেশব্যাপী দাঙ্গা বাঁধিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সেই অবৈধ ক্ষমতা দখলের পর থেকে অর্থনীতি তলানিতে ঠেকে গেছে। রপ্তানি আয় কমছে, আমদানি বাড়ছে, আর বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েই চলেছে। কিন্তু ইউনুস সাহেব এবং তার তথাকথিত সংস্কার সরকারের কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না।

এই সুদী মহাজনকে ক্ষমতায় বসানোর পেছনে যে বিদেশী অর্থায়ন, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা এবং সামরিক বাহিনীর নীরব সমর্থন কাজ করেছে, সেটা আর গোপন নেই। পুরো ব্যাপারটাই ছিল একটা সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আর এখন দেশের মানুষ তার মাশুল দিচ্ছে প্রতিটি দিন।

তথ্য বলছে, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের ঘাটতি পনেরো দশমিক ছেষট্টি শতাংশ বেশি। আমদানি বেড়েছে ছয় দশমিক এক শতাংশ, কিন্তু রপ্তানি আয় বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ছয় শতাংশ। এই যে ভয়ংকর অসামঞ্জস্য, এটা কোন পথে নিয়ে যাচ্ছে দেশকে? অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার এর চেয়ে ভালো উপায় আর কী হতে পারে?

আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ মাস রপ্তানি আয়ে পতন হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্প, যেটা দেশের অর্থনীতির প্রাণ, সেখানে মন্দা চলছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সাধারণত ভরা মৌসুম হলেও এবার সেই প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি দেখা যায়নি। ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে চৌদ্দ দশমিক পঁচিশ শতাংশ। কেন এমন হচ্ছে? কারণ বৈশ্বিক ক্রেতারা এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অর্ডার দিতে ভয় পাচ্ছেন। একটা দেশে যখন মব সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ আর রাজনৈতিক অস্থিরতা চলে, তখন কে বিনিয়োগ করবে সেখানে?

বাণিজ্য ঘাটতি হোক সমস্যা নাই, তবে মব সন্ত্রাসের যেন কোনো ঘাটতি না হয়! এটাই তো ইউনুসের সংস্কারের নমুনা। রাস্তায় সন্ত্রাস চলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে, আর এই তথাকথিত সরকার ব্যস্ত সংস্কারের নামে দেশকে আরও গভীর খাদে ঠেলে দিতে।

এদিকে সরকারি উদ্যোগে হ্যাঁ ভোট দিতে ব্যাপক প্রচার চলছে। কিসের জন্য এই প্রচার? যাতে বাংলাদেশকে বাকিটুকু ধ্বংস করতে পারে ইউনুস এবং তার পৃষ্ঠপোষকরা। একটা দেশকে পুরোপুরি শেষ করতে হলে তার অর্থনীতি ধ্বংস করতে হয়, সেটাই তো হচ্ছে এখন। ডলারের রিজার্ভ কমছে, টাকার দাম পড়ছে, দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, আর সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছে দুই পাটের মাঝখানে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল সাতাশ দশমিক আটত্রিশ বিলিয়ন ডলার। পরের বছর কমে বিশ দশমিক পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। কিন্তু এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবার সেই ঘাটতি বাড়তে শুরু করেছে। এটা কাকতালীয়? মোটেই না। এটা পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ।

রপ্তানিকারকরা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কনীতির কারণে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু এই একই ট্রাম্প তো আগেও ছিলেন। তখন কি দেশের রপ্তানি এভাবে ধসে পড়েছিল? আসল সমস্যা হলো দেশের ভেতরের অস্থিরতা, যেটা এই ক্যু সরকার সৃষ্টি করেছে এবং টিকিয়ে রাখছে নিজেদের স্বার্থে।

ইউনুসের নামে যে মাইক্রোক্রেডিট সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল, সেখানে গরিব মানুষের কাছ থেকে সুদের নামে যা আদায় করা হয়েছে, তা কোন হিসাবে আসে? এই সুদী মহাজন এখন পুরো দেশকে সুদখোর বানাতে চান নাকি? দেশের অর্থনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি?

জুলাই মাসে রপ্তানি আয়ে যে বড় উল্লম্ফন দেখা গিয়েছিল, সেটা ছিল আগের সরকারের করে যাওয়া কাজের ফসল। কিন্তু এর পরের মাসগুলোতে যে ধারাবাহিক পতন, সেটা এই অবৈধ সরকারের কুকীর্তি। ছয় মাসে রপ্তানি আয় কমেছে দুই দশমিক উনিশ শতাংশ। এটা কোনো ছোট বিষয় নয়। এটা জাতীয় বিপর্যয়ের লক্ষণ।

দেশ আজ একটা সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে অর্থনৈতিক সংকট, অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা। আর মাঝখানে বসে আছে একটা অবৈধ সরকার, যাদের কোনো জনগণের ম্যান্ডেট নেই, কোনো নৈতিক অধিকার নেই দেশ চালানোর। কিন্তু তারা আছে বিদেশী প্রভুদের কৃপায়, জঙ্গিদের সমর্থনে এবং সামরিক বাহিনীর নীরব সহযোগিতায়।

এই পরিস্থিতির দায়ভার কে নেবে? ইউনুস এবং তার তথাকথিত সংস্কার সরকার কি একবারও জবাবদিহি করবে দেশের মানুষের কাছে? নাকি বিদেশী প্রভুদের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়াটাই তাদের একমাত্র কাজ?

চলতি অর্থবছরের মাত্র পাঁচ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে নয় হাজার চারশো কোটি ডলারে। এই বিশাল অংকটা টাকায় হিসাব করলে কত দাঁড়ায় জানেন? প্রায় এক লাখ তেরো হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ডলারে লিখলে সংখ্যাটা ছোট দেখায়, তাই না? ঠিক যেভাবে এই অবৈধ সরকার দেশের সকল সমস্যাকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করছে।

দেশ আজ যে পথে এগোচ্ছে, তাতে সোমালিয়ার সাথে তুলনা করাটা খুব একটা বাড়াবাড়ি মনে হয় না। জুলাই মাসে দেশব্যাপী দাঙ্গা বাঁধিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সেই অবৈধ ক্ষমতা দখলের পর থেকে অর্থনীতি তলানিতে ঠেকে গেছে। রপ্তানি আয় কমছে, আমদানি বাড়ছে, আর বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েই চলেছে। কিন্তু ইউনুস সাহেব এবং তার তথাকথিত সংস্কার সরকারের কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না।

এই সুদী মহাজনকে ক্ষমতায় বসানোর পেছনে যে বিদেশী অর্থায়ন, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা এবং সামরিক বাহিনীর নীরব সমর্থন কাজ করেছে, সেটা আর গোপন নেই। পুরো ব্যাপারটাই ছিল একটা সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আর এখন দেশের মানুষ তার মাশুল দিচ্ছে প্রতিটি দিন।

তথ্য বলছে, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের ঘাটতি পনেরো দশমিক ছেষট্টি শতাংশ বেশি। আমদানি বেড়েছে ছয় দশমিক এক শতাংশ, কিন্তু রপ্তানি আয় বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ছয় শতাংশ। এই যে ভয়ংকর অসামঞ্জস্য, এটা কোন পথে নিয়ে যাচ্ছে দেশকে? অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার এর চেয়ে ভালো উপায় আর কী হতে পারে?

আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ মাস রপ্তানি আয়ে পতন হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্প, যেটা দেশের অর্থনীতির প্রাণ, সেখানে মন্দা চলছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সাধারণত ভরা মৌসুম হলেও এবার সেই প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি দেখা যায়নি। ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে চৌদ্দ দশমিক পঁচিশ শতাংশ। কেন এমন হচ্ছে? কারণ বৈশ্বিক ক্রেতারা এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অর্ডার দিতে ভয় পাচ্ছেন। একটা দেশে যখন মব সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ আর রাজনৈতিক অস্থিরতা চলে, তখন কে বিনিয়োগ করবে সেখানে?

বাণিজ্য ঘাটতি হোক সমস্যা নাই, তবে মব সন্ত্রাসের যেন কোনো ঘাটতি না হয়! এটাই তো ইউনুসের সংস্কারের নমুনা। রাস্তায় সন্ত্রাস চলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে, আর এই তথাকথিত সরকার ব্যস্ত সংস্কারের নামে দেশকে আরও গভীর খাদে ঠেলে দিতে।

এদিকে সরকারি উদ্যোগে হ্যাঁ ভোট দিতে ব্যাপক প্রচার চলছে। কিসের জন্য এই প্রচার? যাতে বাংলাদেশকে বাকিটুকু ধ্বংস করতে পারে ইউনুস এবং তার পৃষ্ঠপোষকরা। একটা দেশকে পুরোপুরি শেষ করতে হলে তার অর্থনীতি ধ্বংস করতে হয়, সেটাই তো হচ্ছে এখন। ডলারের রিজার্ভ কমছে, টাকার দাম পড়ছে, দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, আর সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছে দুই পাটের মাঝখানে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল সাতাশ দশমিক আটত্রিশ বিলিয়ন ডলার। পরের বছর কমে বিশ দশমিক পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। কিন্তু এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবার সেই ঘাটতি বাড়তে শুরু করেছে। এটা কাকতালীয়? মোটেই না। এটা পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ।

রপ্তানিকারকরা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কনীতির কারণে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু এই একই ট্রাম্প তো আগেও ছিলেন। তখন কি দেশের রপ্তানি এভাবে ধসে পড়েছিল? আসল সমস্যা হলো দেশের ভেতরের অস্থিরতা, যেটা এই ক্যু সরকার সৃষ্টি করেছে এবং টিকিয়ে রাখছে নিজেদের স্বার্থে।

ইউনুসের নামে যে মাইক্রোক্রেডিট সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল, সেখানে গরিব মানুষের কাছ থেকে সুদের নামে যা আদায় করা হয়েছে, তা কোন হিসাবে আসে? এই সুদী মহাজন এখন পুরো দেশকে সুদখোর বানাতে চান নাকি? দেশের অর্থনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি?

জুলাই মাসে রপ্তানি আয়ে যে বড় উল্লম্ফন দেখা গিয়েছিল, সেটা ছিল আগের সরকারের করে যাওয়া কাজের ফসল। কিন্তু এর পরের মাসগুলোতে যে ধারাবাহিক পতন, সেটা এই অবৈধ সরকারের কুকীর্তি। ছয় মাসে রপ্তানি আয় কমেছে দুই দশমিক উনিশ শতাংশ। এটা কোনো ছোট বিষয় নয়। এটা জাতীয় বিপর্যয়ের লক্ষণ।

দেশ আজ একটা সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে অর্থনৈতিক সংকট, অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা। আর মাঝখানে বসে আছে একটা অবৈধ সরকার, যাদের কোনো জনগণের ম্যান্ডেট নেই, কোনো নৈতিক অধিকার নেই দেশ চালানোর। কিন্তু তারা আছে বিদেশী প্রভুদের কৃপায়, জঙ্গিদের সমর্থনে এবং সামরিক বাহিনীর নীরব সহযোগিতায়।

এই পরিস্থিতির দায়ভার কে নেবে? ইউনুস এবং তার তথাকথিত সংস্কার সরকার কি একবারও জবাবদিহি করবে দেশের মানুষের কাছে? নাকি বিদেশী প্রভুদের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়াটাই তাদের একমাত্র কাজ?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ