নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দি অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ন কবিরের মৃত্যু আরেকটি ভয়ংকর বার্তা দিয়ে গেল—কারাগারগুলো হয়ে উঠেছে এখন বিরোধী কণ্ঠ দমনের মৃত্যুকূপে। মৃত হুমায়ন কবির নারায়ণগঞ্জ শহরের মহানগর আওয়ামী লীগের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি ছিলেন।গত ১৮ ডিসেম্বর অসুস্থ অবস্থাতেই তাকে সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে এবং একটি তথাকথিত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।
এই মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি একটি ধারাবাহিক নিধননীতির অংশ। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার নেশায় কারাগারে পরিকল্পিত নির্যাতন, নিপীড়ন, অবহেলা, চিকিৎসা সংকট ও অমানবিক আচরণকে অস্ত্র বানিয়েছে। আর প্রতিবারই মৃত্যুর পর সামনে আনা হচ্ছে একই স্ক্রিপ্ট—“অসুস্থতা”। যেন দায় এড়ানোর প্রস্তুত অজুহাত।
রাষ্ট্র যদি কারাগারে বন্দিদের জীবন রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে সেটি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়—এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ‘অসুস্থতার নাটক’ দিয়ে আর কত লাশ ঢাকতে চায় ইউনুস সরকার?

