পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রলয় চাকী কারাগারে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। এই মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়—বরং আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পিত জেল কিলিংয়ের আরেকটি অধ্যায়।
অবৈধ জামাতি ফ্যাসিবাদী ইউনুস গং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে কারাগারকে পরিণত করেছে ভয়ংকর নিধনকেন্দ্রে। যেখানে বন্দিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা, সেখানে একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘটছে। এরপর ‘অসুস্থতা’ ও ‘চিকিৎসা’র গল্প সাজিয়ে দায় এড়ানোর অপচেষ্টা চলছে।
এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটি ধারাবাহিক রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের অংশ। এর আগেও কারাগারে থাকা অবস্থায় একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু কোনো ঘটনারই স্বচ্ছ তদন্ত হয়নি। এই নীরবতাই প্রমাণ করে—এটি অক্ষমতা নয়, সচেতন ফ্যাসিবাদী কৌশল।
বাংলাদেশের মানুষ এই অন্যায় ভুলে যাবে না। এই জেল হত্যার বিচার হবেই—যারা নির্দেশ দিয়েছে, যারা সহযোগিতা করেছে, আর যারা নীরব থেকেছে—কেউই দায় এড়াতে পারবে না। ইতিহাস সাক্ষী থাকবে, এই রক্তের হিসাব একদিন ঠিকই চাওয়া হবে।

