Thursday, January 15, 2026

একের পর এক ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করছে জামায়াত, কোথায় আজহারী-আহমাদুল্লাহ

নির্বাচনি মাঠে রাজনৈতিক প্রচারণায় ধর্মীয় অনুষঙ্গ ব্যবহার করতে গিয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীরা। পবিত্র হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর কোরবানি কিংবা অলৌকিকত্বের দাবি তুলে দেওয়া এসব বক্তব্যকে অনেকেই ‘ধর্মীয় অবমাননা’ বা ‘কটূক্তি’ হিসেবে দেখছেন। তবে দেশের জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান আজহারীসহ তথা কথিত দেশবরেণ্য আলেমদের এসব বিষয়ে নীরব থাকায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক এক সভায় মন্তব্য করেন, বিড়িতে সুখটান দিয়েও যদি কেউ ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের দাওয়াত দেয়, তবে আল্লাহ তাকে মাফ করে ভালো মানুষ বানিয়ে দিতে পারেন। রাজনৈতিক প্রচারণাকে গুনাহ মাফের উছিলা হিসেবে উপস্থাপন করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম খান ৮ জানুয়ারি রাজনৈতিক কোরবানিকে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর পুত্র কোরবানির ঘটনার চেয়েও ‘বড় কোরবানি’ হিসেবে তুলনা করেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তাকে দাবি করতে শোনা যায়—তার জন্য ‘সূর্য দাঁড়িয়ে থাকবে’ এবং আল্লাহ তাকে এমন মর্যাদা দিয়েছেন।

সাধারণত দেশের যেকোনো ধর্মীয় অবমাননা বা স্পর্শকাতর বিষয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীসহ বেশ কয়েকজন আলেম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকেন। ইসলামের অবমাননা রুখতে তাদের শক্ত অবস্থান দেখা যায়। কিন্তু জামায়াত নেতাদের এসব বিতর্কিত ও ধর্মীয় অপব্যাখ্যামূলক বক্তব্যের বিষয়ে এখন পর্যন্ত তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

নেটিজেনদের বড় একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলছেন—ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার বা নবীগণের (আ.) সুন্নাহর সাথে তুচ্ছ রাজনৈতিক ঘটনার তুলনা করার পরও কেন আলেমরা নিশ্চুপ রয়েছেন? রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণেই কি তারা এই সমালোচনা এড়িয়ে যাচ্ছেন, এমন প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।

সচেতন মহল মনে করছেন, ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব যাদের, তাদের উচিত এ ধরনের অপব্যাখ্যার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হওয়া, সে ব্যক্তি বা দল যে-ই হোক না কেন।

নির্বাচনি মাঠে রাজনৈতিক প্রচারণায় ধর্মীয় অনুষঙ্গ ব্যবহার করতে গিয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীরা। পবিত্র হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর কোরবানি কিংবা অলৌকিকত্বের দাবি তুলে দেওয়া এসব বক্তব্যকে অনেকেই ‘ধর্মীয় অবমাননা’ বা ‘কটূক্তি’ হিসেবে দেখছেন। তবে দেশের জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান আজহারীসহ তথা কথিত দেশবরেণ্য আলেমদের এসব বিষয়ে নীরব থাকায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক এক সভায় মন্তব্য করেন, বিড়িতে সুখটান দিয়েও যদি কেউ ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের দাওয়াত দেয়, তবে আল্লাহ তাকে মাফ করে ভালো মানুষ বানিয়ে দিতে পারেন। রাজনৈতিক প্রচারণাকে গুনাহ মাফের উছিলা হিসেবে উপস্থাপন করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম খান ৮ জানুয়ারি রাজনৈতিক কোরবানিকে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর পুত্র কোরবানির ঘটনার চেয়েও ‘বড় কোরবানি’ হিসেবে তুলনা করেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তাকে দাবি করতে শোনা যায়—তার জন্য ‘সূর্য দাঁড়িয়ে থাকবে’ এবং আল্লাহ তাকে এমন মর্যাদা দিয়েছেন।

সাধারণত দেশের যেকোনো ধর্মীয় অবমাননা বা স্পর্শকাতর বিষয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীসহ বেশ কয়েকজন আলেম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকেন। ইসলামের অবমাননা রুখতে তাদের শক্ত অবস্থান দেখা যায়। কিন্তু জামায়াত নেতাদের এসব বিতর্কিত ও ধর্মীয় অপব্যাখ্যামূলক বক্তব্যের বিষয়ে এখন পর্যন্ত তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

নেটিজেনদের বড় একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলছেন—ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার বা নবীগণের (আ.) সুন্নাহর সাথে তুচ্ছ রাজনৈতিক ঘটনার তুলনা করার পরও কেন আলেমরা নিশ্চুপ রয়েছেন? রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণেই কি তারা এই সমালোচনা এড়িয়ে যাচ্ছেন, এমন প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।

সচেতন মহল মনে করছেন, ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব যাদের, তাদের উচিত এ ধরনের অপব্যাখ্যার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হওয়া, সে ব্যক্তি বা দল যে-ই হোক না কেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ