Thursday, January 15, 2026

ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে অশান্ত টেকনাফ, হুমকিতে সার্বভৌমত্ব

মার্কিন পরিকল্পনা ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তথাকথিত ‘মেটিকুলাস ডিজাইনে’ অশান্ত হয়ে উঠেছে সীমান্তবর্তী টেকনাফ অঞ্চল। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তীব্র সংঘর্ষ এবং নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত জুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্থিরতা কেবল সীমান্ত সংঘাত নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল থেকে হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলি ও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাফ নদীর ‘বিলাসী দ্বীপ’ এলাকায় মাছ ধরার সময় ওপার থেকে আসা গুলিতে মো. আলমগীর নামে এক বাংলাদেশি জেলে গুরুতর আহত হন। নাফ নদীর বিভিন্ন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা, নবী হোসেন বাহিনী, আরাকান আর্মি ও আরএসও-এর মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। দীর্ঘ এক বছর শান্ত থাকার পর হঠাৎ শুরু হওয়া এই সংঘাতে সীমান্তের অন্তত আট হাজার বাসিন্দা এখন নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে হওয়া গোপন চুক্তি অনুযায়ী স্বার্থ বুঝিয়ে দিতেই এই অস্থিরতার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পাঁচ দিনের সফরে ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছেন ড. ইউনূস। বিশ্লেষকদের দাবি, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের বিপরীতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গা সংকট ও মানবিক করিডোরের দোহাই দিয়ে এই অঞ্চলটিকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে পরিণত করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে একটি ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে এবং এ লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি এয়ার বেজ স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। ড. ইউনূসকে এই পরিকল্পনার ‘প্রক্সি নেতা’ হিসেবে ব্যবহার করে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারে ‘কোয়াড পোর্টস ফর ফিউচার’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের মার্কিন পরিকল্পনা এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার প্রস্তাব সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান কর্তৃক সেন্টমার্টিনকে চার এলাকায় বিভক্ত করা এবং কিছু অংশ ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ হিসেবে ঘোষণার বিষয়টিকে অনেকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, আমেরিকা ও ইউনূস প্রশাসনের এই ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ রুখতে হলে অনতিবিলম্বে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা জরুরি। অন্যথায় দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

মার্কিন পরিকল্পনা ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তথাকথিত ‘মেটিকুলাস ডিজাইনে’ অশান্ত হয়ে উঠেছে সীমান্তবর্তী টেকনাফ অঞ্চল। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তীব্র সংঘর্ষ এবং নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত জুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্থিরতা কেবল সীমান্ত সংঘাত নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল থেকে হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলি ও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাফ নদীর ‘বিলাসী দ্বীপ’ এলাকায় মাছ ধরার সময় ওপার থেকে আসা গুলিতে মো. আলমগীর নামে এক বাংলাদেশি জেলে গুরুতর আহত হন। নাফ নদীর বিভিন্ন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা, নবী হোসেন বাহিনী, আরাকান আর্মি ও আরএসও-এর মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। দীর্ঘ এক বছর শান্ত থাকার পর হঠাৎ শুরু হওয়া এই সংঘাতে সীমান্তের অন্তত আট হাজার বাসিন্দা এখন নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে হওয়া গোপন চুক্তি অনুযায়ী স্বার্থ বুঝিয়ে দিতেই এই অস্থিরতার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পাঁচ দিনের সফরে ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছেন ড. ইউনূস। বিশ্লেষকদের দাবি, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের বিপরীতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গা সংকট ও মানবিক করিডোরের দোহাই দিয়ে এই অঞ্চলটিকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে পরিণত করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে একটি ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে এবং এ লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি এয়ার বেজ স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। ড. ইউনূসকে এই পরিকল্পনার ‘প্রক্সি নেতা’ হিসেবে ব্যবহার করে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারে ‘কোয়াড পোর্টস ফর ফিউচার’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের মার্কিন পরিকল্পনা এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার প্রস্তাব সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান কর্তৃক সেন্টমার্টিনকে চার এলাকায় বিভক্ত করা এবং কিছু অংশ ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ হিসেবে ঘোষণার বিষয়টিকে অনেকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, আমেরিকা ও ইউনূস প্রশাসনের এই ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ রুখতে হলে অনতিবিলম্বে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা জরুরি। অন্যথায় দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ