Thursday, January 15, 2026

বাস্তবতার মুখোমুখি বাংলাদেশ : ভারত সম্পর্কে অদূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতির মূল্য

ভেনিজুয়েলায় আমেরিকার সাম্প্রতিক পদক্ষেপ আবারও মনে করিয়ে দিলো যে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জগতে শক্তিই শেষ কথা। আইন-কানুন, জাতিসংঘের সনদ, আন্তর্জাতিক চুক্তি এসব মানার না মানার সিদ্ধান্ত নেয় শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো নিজেরাই। চীন দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনে ঢুকে গেছে নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য। এটাই বাস্তবতা। এখানে আবেগ বা আদর্শবাদের জায়গা নেই।

বাংলাদেশের মতো একটি ছোট্ট দেশ এই বাস্তবতা উপেক্ষা করার বিলাসিতা রাখে না। তিনদিকে ভারত, একদিকে মিয়ানমার এই ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সীমারেখা অনেকটাই নির্ধারণ করে দেয়। বিশেষ করে ভারতের সাথে সম্পর্ক কোন দিকে যাবে সেটা আমাদের অর্থনীতি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই গভীর প্রভাব ফেলে।

ভারতের সাথে আমাদের সমস্যা আছে, এটা সত্য। তিস্তার পানি পাচ্ছি না। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না। বাণিজ্য ঘাটতি বিশাল। কিন্তু এসব সমস্যা থাকা মানেই কি সম্পর্ক ছিন্ন করা? প্রতিবেশী মানেই তো সব সময় মনের মিল হবে না, কিছু না কিছু বিরোধ থাকবেই। ভারতের সাথে আমাদের সমুদ্রসীমা বিরোধ মিটেছে আন্তর্জাতিক আদালতে। ভারত রায় মেনে নিয়েছে। মিয়ানমারও মেনেছে। এগুলো তো কূটনীতির সফলতা।

কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে হট্টগোল হয়ে সরকার পরিবর্তন হলো, তার পর থেকে পররাষ্ট্রনীতিতে যে অদূরদর্শিতা দেখা যাচ্ছে সেটা উদ্বেগজনক। ইউনুস সাহেবের নেতৃত্বাধীন এই তথাকথিত সরকার ভারতের সাথে সম্পর্ক নিয়ে এমন সব পদক্ষেপ নিচ্ছে বা নিতে দিচ্ছে যেটা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হবে।

ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশ হয়ে তাদের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে ট্রানজিট বন্ধ করে দিয়েছে। এখন নেপাল হয়ে সেই এক্সেস নিচ্ছে। অনেকে মনে করেন এটা ভারতের ক্ষতি। আসলে কিন্তু না। ভারতের কাছে বিকল্প রুট আছে। একটু খরচ বেশি হলেও ওরা সামলে নেবে। কিন্তু আমাদের কাছে তো কোনো বিকল্প নেই। ভারত ছাড়া নেপাল-ভুটানে আমাদের পণ্য যাবে কীভাবে? আমাদের গার্মেন্টস শিল্পের একটা বড় অংশ ভারতের বন্দর ব্যবহার করে পণ্য রপ্তানি করতো। এখন সেই সুবিধা হারালে খরচ বাড়বে, সময় বাড়বে, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবো।

ভারতের অর্থনীতি এখন বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম। আগামী কয়েক বছরে তৃতীয় হবে। ২০৩৫ সালে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। এই বিশাল বাজারের পাশে থেকে আমরা যদি সম্পর্ক নষ্ট করি তাহলে লাভ কার? ভারতের তো বাংলাদেশ ছাড়াও অনেক অপশন আছে। ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া সবাই ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের কাছে ভারত ছাড়া আর কোন বড় প্রতিবেশী নেই যার সাথে এত বড় অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব।

যারা সেভেন সিস্টার্স দখলের কথা বলেন, ভারত ভাঙার স্বপ্ন দেখেন, তারা হয় রাজনৈতিক ভন্ডামি করছেন নয়তো বাস্তবতা বোঝেন না। বাংলাদেশের জনসংখ্যা সাড়ে ১৭ কোটি, ভারতের ১৪০ কোটি। আমাদের অর্থনীতির আকার প্রায় ৪৫০ বিলিয়ন ডলার, ওদের ৩.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। ওদের সামরিক শক্তি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম। এই অবস্থায় চোখে চোখ রেখে কথা বলার কল্পনা শুধু বোকামিই নয়, আত্মঘাতীও।

চোখে চোখ রেখে কথা বলতে হয় প্রতিপক্ষের সাথে। ভারত আমাদের প্রতিপক্ষ নয়, প্রতিবেশী। এই পার্থক্যটা বোঝা জরুরি। প্রতিবেশীর সাথে দূরত্ব রাখা যায় না। থাকতে হয় পাশাপাশি। তাই বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পর্ক পরিচালনা করতে হয়। কূটনীতি মানে শুধু আবেগ নয়, বাস্তব স্বার্থ বোঝা।

জুলাই দাঙ্গার পর যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যেভাবে একটি নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, সেখানে পররাষ্ট্রনীতি তৈরিতে কোন সুচিন্তিত পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে যেন ভারত বিরোধিতা করাই একমাত্র লক্ষ্য। কিন্তু এর মাশুল গুনতে হবে সাধারণ মানুষকে। ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়বে। রপ্তানিতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বো। বিনিয়োগকারীরা দুবার ভাববে বাংলাদেশে আসার আগে।

ইউনুস সাহেবের এই তথাকথিত সরকার যদি মনে করে যে পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন দিয়ে ভারতকে এড়িয়ে চলা যাবে, তাহলে সেটা বিরাট ভুল হবে। আমেরিকা বা ইউরোপ হয়তো কিছুদিন সমর্থন দেবে, কিন্তু তাদের নিজেদের স্বার্থই মুখ্য। ভারত একটি বড় বাজার, বড় শক্তি। পশ্চিমারাও ভারতের সাথে সম্পর্ক খারাপ করতে চায় না। তাই বাংলাদেশের জন্য তারা কতটুকু করবে সেটা সহজেই অনুমেয়।

গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ এ বছরই শেষ হচ্ছে। নবায়ন হবে কি না সেটা এখন বড় প্রশ্ন। ভারত যদি নবায়ন করতে না চায়, আমরা কী করবো? জোর করে তো আনতে পারবো না। তখন বুঝা যাবে আসলে আগের সম্পর্কের মূল্য কতটা ছিল। তিস্তার পানি না পাওয়া, আর গঙ্গার চুক্তিও না থাকা, এই দুটো মিলে উত্তরবঙ্গের কৃষিতে কী প্রভাব পড়বে সেটা ভাবলে শঙ্কা হয়।

বাস্তবতা হলো বাংলাদেশ যত দিন না নিজের পায়ে শক্ত করে দাঁড়াতে পারছে, তত দিন প্রতিবেশীদের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা ছাড়া উপায় নেই। আর ভারতের মতো একটি ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী প্রতিবেশীকে শত্রু বানানো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অস্থিতিশীলতা তৈরি করে, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে যারা দেশ চালাচ্ছে, তাদের হাতে পররাষ্ট্রনীতির মতো সূক্ষ্ম বিষয় নিরাপদ নয়।

দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা না করে যদি শুধু আবেগ আর বিদেশি প্রভুদের ইশারায় চলতে থাকি, তাহলে সেই মাশুল গুনতে হবে আগামী প্রজন্মকে। এই অদূরদর্শী, বাস্তবতাবিবর্জিত পররাষ্ট্রনীতি আসলে বাংলাদেশের মেরুদণ্ড ভাঙার একটা সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

ভেনিজুয়েলায় আমেরিকার সাম্প্রতিক পদক্ষেপ আবারও মনে করিয়ে দিলো যে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জগতে শক্তিই শেষ কথা। আইন-কানুন, জাতিসংঘের সনদ, আন্তর্জাতিক চুক্তি এসব মানার না মানার সিদ্ধান্ত নেয় শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো নিজেরাই। চীন দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনে ঢুকে গেছে নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য। এটাই বাস্তবতা। এখানে আবেগ বা আদর্শবাদের জায়গা নেই।

বাংলাদেশের মতো একটি ছোট্ট দেশ এই বাস্তবতা উপেক্ষা করার বিলাসিতা রাখে না। তিনদিকে ভারত, একদিকে মিয়ানমার এই ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সীমারেখা অনেকটাই নির্ধারণ করে দেয়। বিশেষ করে ভারতের সাথে সম্পর্ক কোন দিকে যাবে সেটা আমাদের অর্থনীতি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই গভীর প্রভাব ফেলে।

ভারতের সাথে আমাদের সমস্যা আছে, এটা সত্য। তিস্তার পানি পাচ্ছি না। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না। বাণিজ্য ঘাটতি বিশাল। কিন্তু এসব সমস্যা থাকা মানেই কি সম্পর্ক ছিন্ন করা? প্রতিবেশী মানেই তো সব সময় মনের মিল হবে না, কিছু না কিছু বিরোধ থাকবেই। ভারতের সাথে আমাদের সমুদ্রসীমা বিরোধ মিটেছে আন্তর্জাতিক আদালতে। ভারত রায় মেনে নিয়েছে। মিয়ানমারও মেনেছে। এগুলো তো কূটনীতির সফলতা।

কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে হট্টগোল হয়ে সরকার পরিবর্তন হলো, তার পর থেকে পররাষ্ট্রনীতিতে যে অদূরদর্শিতা দেখা যাচ্ছে সেটা উদ্বেগজনক। ইউনুস সাহেবের নেতৃত্বাধীন এই তথাকথিত সরকার ভারতের সাথে সম্পর্ক নিয়ে এমন সব পদক্ষেপ নিচ্ছে বা নিতে দিচ্ছে যেটা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হবে।

ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশ হয়ে তাদের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে ট্রানজিট বন্ধ করে দিয়েছে। এখন নেপাল হয়ে সেই এক্সেস নিচ্ছে। অনেকে মনে করেন এটা ভারতের ক্ষতি। আসলে কিন্তু না। ভারতের কাছে বিকল্প রুট আছে। একটু খরচ বেশি হলেও ওরা সামলে নেবে। কিন্তু আমাদের কাছে তো কোনো বিকল্প নেই। ভারত ছাড়া নেপাল-ভুটানে আমাদের পণ্য যাবে কীভাবে? আমাদের গার্মেন্টস শিল্পের একটা বড় অংশ ভারতের বন্দর ব্যবহার করে পণ্য রপ্তানি করতো। এখন সেই সুবিধা হারালে খরচ বাড়বে, সময় বাড়বে, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবো।

ভারতের অর্থনীতি এখন বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম। আগামী কয়েক বছরে তৃতীয় হবে। ২০৩৫ সালে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। এই বিশাল বাজারের পাশে থেকে আমরা যদি সম্পর্ক নষ্ট করি তাহলে লাভ কার? ভারতের তো বাংলাদেশ ছাড়াও অনেক অপশন আছে। ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া সবাই ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের কাছে ভারত ছাড়া আর কোন বড় প্রতিবেশী নেই যার সাথে এত বড় অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব।

যারা সেভেন সিস্টার্স দখলের কথা বলেন, ভারত ভাঙার স্বপ্ন দেখেন, তারা হয় রাজনৈতিক ভন্ডামি করছেন নয়তো বাস্তবতা বোঝেন না। বাংলাদেশের জনসংখ্যা সাড়ে ১৭ কোটি, ভারতের ১৪০ কোটি। আমাদের অর্থনীতির আকার প্রায় ৪৫০ বিলিয়ন ডলার, ওদের ৩.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। ওদের সামরিক শক্তি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম। এই অবস্থায় চোখে চোখ রেখে কথা বলার কল্পনা শুধু বোকামিই নয়, আত্মঘাতীও।

চোখে চোখ রেখে কথা বলতে হয় প্রতিপক্ষের সাথে। ভারত আমাদের প্রতিপক্ষ নয়, প্রতিবেশী। এই পার্থক্যটা বোঝা জরুরি। প্রতিবেশীর সাথে দূরত্ব রাখা যায় না। থাকতে হয় পাশাপাশি। তাই বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পর্ক পরিচালনা করতে হয়। কূটনীতি মানে শুধু আবেগ নয়, বাস্তব স্বার্থ বোঝা।

জুলাই দাঙ্গার পর যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যেভাবে একটি নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, সেখানে পররাষ্ট্রনীতি তৈরিতে কোন সুচিন্তিত পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে যেন ভারত বিরোধিতা করাই একমাত্র লক্ষ্য। কিন্তু এর মাশুল গুনতে হবে সাধারণ মানুষকে। ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়বে। রপ্তানিতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বো। বিনিয়োগকারীরা দুবার ভাববে বাংলাদেশে আসার আগে।

ইউনুস সাহেবের এই তথাকথিত সরকার যদি মনে করে যে পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন দিয়ে ভারতকে এড়িয়ে চলা যাবে, তাহলে সেটা বিরাট ভুল হবে। আমেরিকা বা ইউরোপ হয়তো কিছুদিন সমর্থন দেবে, কিন্তু তাদের নিজেদের স্বার্থই মুখ্য। ভারত একটি বড় বাজার, বড় শক্তি। পশ্চিমারাও ভারতের সাথে সম্পর্ক খারাপ করতে চায় না। তাই বাংলাদেশের জন্য তারা কতটুকু করবে সেটা সহজেই অনুমেয়।

গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ এ বছরই শেষ হচ্ছে। নবায়ন হবে কি না সেটা এখন বড় প্রশ্ন। ভারত যদি নবায়ন করতে না চায়, আমরা কী করবো? জোর করে তো আনতে পারবো না। তখন বুঝা যাবে আসলে আগের সম্পর্কের মূল্য কতটা ছিল। তিস্তার পানি না পাওয়া, আর গঙ্গার চুক্তিও না থাকা, এই দুটো মিলে উত্তরবঙ্গের কৃষিতে কী প্রভাব পড়বে সেটা ভাবলে শঙ্কা হয়।

বাস্তবতা হলো বাংলাদেশ যত দিন না নিজের পায়ে শক্ত করে দাঁড়াতে পারছে, তত দিন প্রতিবেশীদের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা ছাড়া উপায় নেই। আর ভারতের মতো একটি ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী প্রতিবেশীকে শত্রু বানানো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অস্থিতিশীলতা তৈরি করে, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে যারা দেশ চালাচ্ছে, তাদের হাতে পররাষ্ট্রনীতির মতো সূক্ষ্ম বিষয় নিরাপদ নয়।

দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা না করে যদি শুধু আবেগ আর বিদেশি প্রভুদের ইশারায় চলতে থাকি, তাহলে সেই মাশুল গুনতে হবে আগামী প্রজন্মকে। এই অদূরদর্শী, বাস্তবতাবিবর্জিত পররাষ্ট্রনীতি আসলে বাংলাদেশের মেরুদণ্ড ভাঙার একটা সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ