Thursday, January 15, 2026

জুলাই জঙ্গী তুষারের মেধার দৌড় মাত্র এইচএসসি?

জুলাই ষড়যন্ত্রের জঙ্গীদের ভণ্ডামি ও আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে যাওয়ার গল্পগুলো যেন উন্মোচিত হচ্ছে নির্বাচনী হলফনামাগুলোতেই। প্রথমেই আসি, নারীলিপ্সু-চরিত্রহীন জঙ্গী সারোয়ার তুষারের প্রসঙ্গে। একসময় টকশোগুলোতে হাঁটুর বয়সী বিতর্কে প্রচন্ড পান্ডিত্য দেখানো এই ফ্যাসিস্ট জঙ্গী তুষারের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাশ।

নিজেকে লেখক বলে দাবি করা এই প্রতারকের বিরুদ্ধে তারই এক নারী সহকর্মীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার স্পষ্ট প্রমাণ থাকা স্বত্তেও ইউনূসের কিংস পার্টি তাকে ‘সম্পদ’ বলে আখ্যায়িত করে দলে ফিরিয়ে নেয়৷ নির্বাচনী হলফনামায় দেশবরেণ্য এই জ্ঞানপাপী এইচএসসি পাশ লেখকের বাৎসরিক আয় দেখানো হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা।

একজন ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে করা ষড়যন্ত্র লীড করে এখন পেশায় পরামর্শদাতা। ইউনূসের অবৈধ উপদেষ্টা গংয়ের সাবেক দুর্নীতিবাজ সদস্য –সেই জঙ্গী নাহিদের আয় নাকি পরামর্শ দিয়েই বছরে ১৬ লাখ টাকা।

আরেক জোকার হান্নান মাসুদ, এই ১৭ মাসেই ভাঙা ঘর থেকে উঠে বর্তমানে সে ৯৮ লাখ টাকার মালিক; স্থাবর কোন সম্পত্তির মালিক না হলেও এই জঙ্গীর সম্পদ দেখানো হয়েছে পিতার চেয়েও ৫ গুন বেশি৷ হাতিয়ার এই জঙ্গীটির শিক্ষাগত যোগ্যতাও দেখানো হয়েছে এইচএসসি সমতূল্য আলীম পাশ।

অন্যদিকে, সার্জিসের বাপ দাদার জমিদারিতে গাড়ির শোডাউন চললেও, গাড়ি ভাড়া দিয়ে এখন সেসব হয়তো ফুরিয়ে গেছে৷ তার নামে দানকৃত ১৬ দশমিক ৫০ শতক কৃষিজমি রয়েছে, যার বর্তমান মূল্য আনুমানিক ৫ লাখ টাকা। এছাড়াও অজানা একটি ব্যবসা থেকে তার বাৎসরিক আয় ৯ লাখ টাকা দেখানো হলেও হলফনামা অনুযায়ী বর্তমানে হাতে নগদ আছে ৩ লাখ টাকারও কম। ধারণা করা যায়, পরবর্তী শোডাউনের আগে যেকোন সময় এই ভন্ড জনগণের কাছে বিকাশ নাম্বারে টাকা চেয়ে হাত পাতবে।

সুপার জঙ্গী হাসনাত আবদুল্লাহর কথা না বললেই নয়। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারিতে যমুনা টিভির একটি টকশোতে জঙ্গী হাসনাতের বক্তব্য অনুযায়ী— একটা প্রতিষ্ঠান থেকে সে ডিরেক্টর এলাউয়েন্স হিসেবে প্রতিমাসে ৯০ হাজার টাকা করে পায়, আর বাৎসরিকভাবে পায় মোট লাভের ১০% এবং ক্লাস নিলে আরও ১০ হাজার। এরপর আরেকটা প্রতিষ্ঠানে একটি কোর্স বিক্রির ৮ কোটি টাকা থেকে সেসময়ই হাসনাতের ভাগ পাওয়ার কথা ৫০ লক্ষ টাকা।

সে প্রতিষ্ঠানটি ৮ কোটি টাকার কোর্স বিক্রি করেছে ঐ বক্তব্যের আগেই, এরপর নিশ্চয়ই প্রতিষ্ঠানটি আর বসে থাকেনি, নিশ্চয়ই কোর্সটি বিক্রির সংখ্যা বেড়েছে। এবং এ দুটি প্রতিষ্ঠানই তার মালিকানাধীন, যা সে যমুনা টিভিতে বলেছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি জানুয়ারির পরে ডিসেম্বর পর্যন্ত এরকম ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার কোর্স বিক্রি করেছে কয়েকবার এবং যমুনা টিভিতে প্রচারের পর হয়তো আরও বেশি কোর্স বিক্রি হয়েছে। সুতরাং হাসনাতের মোট সম্পদের পরিমাণ তো নিশ্চিতভাবেই ৫০ লক্ষ টাকার উর্ধ্বে হওয়ার কথা তাই না? তবে কি নির্বাচনি হলফনামায় মোট ৫০ লক্ষ টাকা উল্লেখ করে এই জঙ্গী মিথ্যার আশ্রয় নেয়নি?

নিজেদের মেধাবী পরিচয় দিয়ে দেশধ্বংসের কারিগরদের মেধার দৌড় এখন অত্যন্ত সুস্পষ্ট৷ জুলাই আন্দোলন শুধুই ক্ষমতালোভীদের বাংলাদেশ থেকে গণতন্ত্র বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্র। জাতিকে বিভ্রান্ত করতে যারা বিভিন্ন ন্যারেটিভ দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রটিয়েছে, তারাই আজ জাতীয় বেঈমানরুপে আবির্ভূত। বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের কিনারায়, এদেশের সুখ-সমৃদ্ধি এখন মবের আক্রমণের শিকার। তাই এই অযোগ্য-অথর্ব জঙ্গীদের থেকে সাবধান হতে হবে এখনই, বাংলাদেশকে রুখে দাড়াতে হবে কথিত মেধার নামে ইউনূসের বাছাই করা এই আবর্জনাগুলোর বিরুদ্ধে।

জুলাই ষড়যন্ত্রের জঙ্গীদের ভণ্ডামি ও আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে যাওয়ার গল্পগুলো যেন উন্মোচিত হচ্ছে নির্বাচনী হলফনামাগুলোতেই। প্রথমেই আসি, নারীলিপ্সু-চরিত্রহীন জঙ্গী সারোয়ার তুষারের প্রসঙ্গে। একসময় টকশোগুলোতে হাঁটুর বয়সী বিতর্কে প্রচন্ড পান্ডিত্য দেখানো এই ফ্যাসিস্ট জঙ্গী তুষারের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাশ।

নিজেকে লেখক বলে দাবি করা এই প্রতারকের বিরুদ্ধে তারই এক নারী সহকর্মীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার স্পষ্ট প্রমাণ থাকা স্বত্তেও ইউনূসের কিংস পার্টি তাকে ‘সম্পদ’ বলে আখ্যায়িত করে দলে ফিরিয়ে নেয়৷ নির্বাচনী হলফনামায় দেশবরেণ্য এই জ্ঞানপাপী এইচএসসি পাশ লেখকের বাৎসরিক আয় দেখানো হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা।

একজন ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে করা ষড়যন্ত্র লীড করে এখন পেশায় পরামর্শদাতা। ইউনূসের অবৈধ উপদেষ্টা গংয়ের সাবেক দুর্নীতিবাজ সদস্য –সেই জঙ্গী নাহিদের আয় নাকি পরামর্শ দিয়েই বছরে ১৬ লাখ টাকা।

আরেক জোকার হান্নান মাসুদ, এই ১৭ মাসেই ভাঙা ঘর থেকে উঠে বর্তমানে সে ৯৮ লাখ টাকার মালিক; স্থাবর কোন সম্পত্তির মালিক না হলেও এই জঙ্গীর সম্পদ দেখানো হয়েছে পিতার চেয়েও ৫ গুন বেশি৷ হাতিয়ার এই জঙ্গীটির শিক্ষাগত যোগ্যতাও দেখানো হয়েছে এইচএসসি সমতূল্য আলীম পাশ।

অন্যদিকে, সার্জিসের বাপ দাদার জমিদারিতে গাড়ির শোডাউন চললেও, গাড়ি ভাড়া দিয়ে এখন সেসব হয়তো ফুরিয়ে গেছে৷ তার নামে দানকৃত ১৬ দশমিক ৫০ শতক কৃষিজমি রয়েছে, যার বর্তমান মূল্য আনুমানিক ৫ লাখ টাকা। এছাড়াও অজানা একটি ব্যবসা থেকে তার বাৎসরিক আয় ৯ লাখ টাকা দেখানো হলেও হলফনামা অনুযায়ী বর্তমানে হাতে নগদ আছে ৩ লাখ টাকারও কম। ধারণা করা যায়, পরবর্তী শোডাউনের আগে যেকোন সময় এই ভন্ড জনগণের কাছে বিকাশ নাম্বারে টাকা চেয়ে হাত পাতবে।

সুপার জঙ্গী হাসনাত আবদুল্লাহর কথা না বললেই নয়। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারিতে যমুনা টিভির একটি টকশোতে জঙ্গী হাসনাতের বক্তব্য অনুযায়ী— একটা প্রতিষ্ঠান থেকে সে ডিরেক্টর এলাউয়েন্স হিসেবে প্রতিমাসে ৯০ হাজার টাকা করে পায়, আর বাৎসরিকভাবে পায় মোট লাভের ১০% এবং ক্লাস নিলে আরও ১০ হাজার। এরপর আরেকটা প্রতিষ্ঠানে একটি কোর্স বিক্রির ৮ কোটি টাকা থেকে সেসময়ই হাসনাতের ভাগ পাওয়ার কথা ৫০ লক্ষ টাকা।

সে প্রতিষ্ঠানটি ৮ কোটি টাকার কোর্স বিক্রি করেছে ঐ বক্তব্যের আগেই, এরপর নিশ্চয়ই প্রতিষ্ঠানটি আর বসে থাকেনি, নিশ্চয়ই কোর্সটি বিক্রির সংখ্যা বেড়েছে। এবং এ দুটি প্রতিষ্ঠানই তার মালিকানাধীন, যা সে যমুনা টিভিতে বলেছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি জানুয়ারির পরে ডিসেম্বর পর্যন্ত এরকম ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার কোর্স বিক্রি করেছে কয়েকবার এবং যমুনা টিভিতে প্রচারের পর হয়তো আরও বেশি কোর্স বিক্রি হয়েছে। সুতরাং হাসনাতের মোট সম্পদের পরিমাণ তো নিশ্চিতভাবেই ৫০ লক্ষ টাকার উর্ধ্বে হওয়ার কথা তাই না? তবে কি নির্বাচনি হলফনামায় মোট ৫০ লক্ষ টাকা উল্লেখ করে এই জঙ্গী মিথ্যার আশ্রয় নেয়নি?

নিজেদের মেধাবী পরিচয় দিয়ে দেশধ্বংসের কারিগরদের মেধার দৌড় এখন অত্যন্ত সুস্পষ্ট৷ জুলাই আন্দোলন শুধুই ক্ষমতালোভীদের বাংলাদেশ থেকে গণতন্ত্র বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্র। জাতিকে বিভ্রান্ত করতে যারা বিভিন্ন ন্যারেটিভ দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রটিয়েছে, তারাই আজ জাতীয় বেঈমানরুপে আবির্ভূত। বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের কিনারায়, এদেশের সুখ-সমৃদ্ধি এখন মবের আক্রমণের শিকার। তাই এই অযোগ্য-অথর্ব জঙ্গীদের থেকে সাবধান হতে হবে এখনই, বাংলাদেশকে রুখে দাড়াতে হবে কথিত মেধার নামে ইউনূসের বাছাই করা এই আবর্জনাগুলোর বিরুদ্ধে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ