Thursday, January 15, 2026

পরামর্শ দিয়ে নাহিদের আয় বছরে ১৬ লাখ, কাকে পরামর্শ দেন তিনি?

আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সম্পদের হিসাব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, গত এক বছরে নাহিদ ইসলামের আয়ের গ্রাফ নাটকীয়ভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। হলফনামার তথ্যমতে, পেশায় ‘পরামর্শক’ হিসেবে তিনি বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় করেন, যা ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ আয়।

নাহিদ ইসলামের দাখিলকৃত বিবরণীতে দেখা যায়, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। এর মধ্যে নগদ টাকা রয়েছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া তাঁর নিজের পৌনে ৮ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর ১০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। সাধারণ একজন তরুণ নেতার মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ‘পরামর্শক’ হিসেবে এত বিপুল পরিমাণ বার্ষিক আয় এবং নগদ অর্থ সঞ্চয় করাকে অনেকেই ‘বিপ্লব পরবর্তী বিশেষ সুবিধা’ হিসেবে দেখছেন।

সবচেয়ে বড় বিতর্ক উঠেছে তার সাবেক একান্ত সচিবের (পিএ) বিরুদ্ধে ওঠা একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। ২০২৫ সালের মে মাসে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে, নাহিদের সাবেক পিএ-র বিরুদ্ধে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের বা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। যদিও নাহিদ ইসলাম এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, গণঅভ্যুত্থানের নায়কদের টার্গেট করে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এছাড়া এনসিপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নাহিদকে নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠন প্রশ্নে দলের ভেতরেই তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ৩০ জন নেতা চিঠি দিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। একই সময়ে ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এনসিপির কিছু নেতার বিরুদ্ধে ‘মামলা-বাণিজ্যের’ কল রেকর্ড ফাঁস হওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে নাহিদের নেতৃত্ব ও তদারকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও তিনি বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ট্রলের শিকার হচ্ছেন নাহিদ। একজন নেটিজেন লিখছেন, তিনি ইউনূস কোচিং সেন্টারের হেড। আবার অনেকেই বলছেন, ইউনূস ও আমেরিকাকে পরামর্শ দিয়ে কি এই বেতন পান নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম ও হান্নান মাসউদের মতো তরুণ নেতাদের এই দ্রুত সম্পদ বৃদ্ধি এবং তাদের আশপাশের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অভিযোগগুলো আগামী নির্বাচনে ভোটারদের কাছে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সম্পদের হিসাব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, গত এক বছরে নাহিদ ইসলামের আয়ের গ্রাফ নাটকীয়ভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। হলফনামার তথ্যমতে, পেশায় ‘পরামর্শক’ হিসেবে তিনি বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় করেন, যা ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ আয়।

নাহিদ ইসলামের দাখিলকৃত বিবরণীতে দেখা যায়, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। এর মধ্যে নগদ টাকা রয়েছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া তাঁর নিজের পৌনে ৮ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর ১০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। সাধারণ একজন তরুণ নেতার মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ‘পরামর্শক’ হিসেবে এত বিপুল পরিমাণ বার্ষিক আয় এবং নগদ অর্থ সঞ্চয় করাকে অনেকেই ‘বিপ্লব পরবর্তী বিশেষ সুবিধা’ হিসেবে দেখছেন।

সবচেয়ে বড় বিতর্ক উঠেছে তার সাবেক একান্ত সচিবের (পিএ) বিরুদ্ধে ওঠা একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। ২০২৫ সালের মে মাসে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে, নাহিদের সাবেক পিএ-র বিরুদ্ধে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের বা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। যদিও নাহিদ ইসলাম এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, গণঅভ্যুত্থানের নায়কদের টার্গেট করে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এছাড়া এনসিপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নাহিদকে নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠন প্রশ্নে দলের ভেতরেই তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ৩০ জন নেতা চিঠি দিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। একই সময়ে ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এনসিপির কিছু নেতার বিরুদ্ধে ‘মামলা-বাণিজ্যের’ কল রেকর্ড ফাঁস হওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে নাহিদের নেতৃত্ব ও তদারকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও তিনি বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ট্রলের শিকার হচ্ছেন নাহিদ। একজন নেটিজেন লিখছেন, তিনি ইউনূস কোচিং সেন্টারের হেড। আবার অনেকেই বলছেন, ইউনূস ও আমেরিকাকে পরামর্শ দিয়ে কি এই বেতন পান নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম ও হান্নান মাসউদের মতো তরুণ নেতাদের এই দ্রুত সম্পদ বৃদ্ধি এবং তাদের আশপাশের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অভিযোগগুলো আগামী নির্বাচনে ভোটারদের কাছে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ