Thursday, January 15, 2026

‘অদৃশ্য’ ব্যবসা করে হাসনাতের বার্ষিক আয় সাড়ে ১২ লাখ!

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর বার্ষিক আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর-অস্থাবর মিলে মোট ৫০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে তার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে অংশ নিতে জমা দেওয়া হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, হাসনাতের পেশা ব্যবসা তবে তার নেই কোনো প্রতিষ্ঠান। হাসনাতের হলফনামার তথ্য প্রকাশের পর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নেটিজেনরা সমালোচনা করছেন। একজন লিখেছেন, বন্যার ত্রাণ তহবিল এর টাকা। আরেকজন লিখেছেন, জুলাই টাউটারি ব্যবসা তার।

২০২৪ সালের ভয়াবহ ফেনী বন্যার সময় দেশজুড়ে সহানুভূতির ঢল নামে। হাজারো মানুষ নগদ অর্থ ও পণ্য সহায়তা পাঠান বন্যার্তদের জন্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) পরিণত হয় একটি গণত্রাণ কেন্দ্রস্থলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানুষ ট্রাকভর্তি ত্রাণ নিয়ে হাজির হয়। শিশুদের মাটির ব্যাংক, বৃদ্ধের পেনশনের টাকা—সব কিছু ঢেলে দিয়েছিল কেবল বিপন্নদের পাশে দাঁড়াতে।

তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে: সেই সহায়তা ঠিকভাবে কাজে লেগেছে তো? অভিযোগ উঠেছে, শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেনীর বন্যার সময় শিক্ষার্থীদের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছিলেন। ঘর নির্মাণ, বাঁধ মেরামত ও পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, অথচ বাস্তবে সেসব প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। বন্যা–পরবর্তী বছরগুলোতে কোনো স্থায়ী ঘর, কোনো বাঁধ কিংবা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি দুর্গতরা।

এনসিপি-র দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেছেন, গণতহবিলের অর্থ সরাসরি বিতরণ না করে তা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন যা পেয়েছি, আমরা আপডেট দিয়েছি। পরে সব জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় মন্ত্রণালয়কে দিয়েছি বিতরণের জন্য। প্রায় ১৬ কোটি টাকার অডিট রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, তবে দুই-তিন লাখ টাকার হিসাব দেওয়া যায়নি।”

তবে এই হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়ে উঠেছে জোরালো প্রশ্ন। হাসনাত নিজেই প্রকাশ্যে স্বীকার করেন যে অনুদানের কিছু অংশ ‘লোপাট’ হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর বার্ষিক আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর-অস্থাবর মিলে মোট ৫০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে তার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে অংশ নিতে জমা দেওয়া হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, হাসনাতের পেশা ব্যবসা তবে তার নেই কোনো প্রতিষ্ঠান। হাসনাতের হলফনামার তথ্য প্রকাশের পর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নেটিজেনরা সমালোচনা করছেন। একজন লিখেছেন, বন্যার ত্রাণ তহবিল এর টাকা। আরেকজন লিখেছেন, জুলাই টাউটারি ব্যবসা তার।

২০২৪ সালের ভয়াবহ ফেনী বন্যার সময় দেশজুড়ে সহানুভূতির ঢল নামে। হাজারো মানুষ নগদ অর্থ ও পণ্য সহায়তা পাঠান বন্যার্তদের জন্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) পরিণত হয় একটি গণত্রাণ কেন্দ্রস্থলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানুষ ট্রাকভর্তি ত্রাণ নিয়ে হাজির হয়। শিশুদের মাটির ব্যাংক, বৃদ্ধের পেনশনের টাকা—সব কিছু ঢেলে দিয়েছিল কেবল বিপন্নদের পাশে দাঁড়াতে।

তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে: সেই সহায়তা ঠিকভাবে কাজে লেগেছে তো? অভিযোগ উঠেছে, শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেনীর বন্যার সময় শিক্ষার্থীদের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছিলেন। ঘর নির্মাণ, বাঁধ মেরামত ও পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, অথচ বাস্তবে সেসব প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। বন্যা–পরবর্তী বছরগুলোতে কোনো স্থায়ী ঘর, কোনো বাঁধ কিংবা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি দুর্গতরা।

এনসিপি-র দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেছেন, গণতহবিলের অর্থ সরাসরি বিতরণ না করে তা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন যা পেয়েছি, আমরা আপডেট দিয়েছি। পরে সব জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় মন্ত্রণালয়কে দিয়েছি বিতরণের জন্য। প্রায় ১৬ কোটি টাকার অডিট রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, তবে দুই-তিন লাখ টাকার হিসাব দেওয়া যায়নি।”

তবে এই হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়ে উঠেছে জোরালো প্রশ্ন। হাসনাত নিজেই প্রকাশ্যে স্বীকার করেন যে অনুদানের কিছু অংশ ‘লোপাট’ হয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ