Thursday, January 15, 2026

ইউনূসের ব্যর্থতায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, এবার হচ্ছে না ইজতেমা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের অধীনে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠছে, অন্যদিকে নিরাপত্তার অজুহাতে ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় সমাবেশ ‘বিশ্ব ইজতেমা’র প্রাক-প্রস্তুতিমূলক অনুষ্ঠানও স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।

সরকারি কঠোর নির্দেশনার মুখে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে কোনো ধরনের জমায়েত না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাবলিগ জামাত। আগামী ২, ৩ ও ৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ‘খুরুজের জোড়’ উপলক্ষে নির্মিত প্যান্ডেলগুলো ইতোমধ্যে খুলে ফেলা হচ্ছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের (শুরায়ী নেজাম) মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, নির্বাচনের আগে তুরাগ তীরে কোনো ধরনের সমাবেশ না করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ফলে চিল্লার সাথীদের নিজ নিজ এলাকা থেকেই আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন মুরুব্বিরা।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে গুরুতর ও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছর মব সন্ত্রাস, রাজনৈতিক সহিংসতা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, কারা হেফাজতে মৃত্যু ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকোচন আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, পারিবারিক সহিংসতা এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও জবাবদিহির অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে গভীর সংকটজনক বলা হয়েছে। এ বছরে অন্তত ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হন ১০২ জন, আহত ৪,৭৪৪ জন। মব সন্ত্রাস, মতপ্রকাশ দমন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যায় নিহত ৩৮ জন এবং কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে ১০৭ জনের। ধর্ষণের ঘটনা ৭৪৯টি, নারী হত্যার শিকার ২১৭ জন। শিশু নির্যাতনের শিকার ১,০২৩ জন এবং নিহত ৪১০ জন। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর অন্তত ৪২টি হামলার তথ্য উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে ইজতেমার মতো বড় জমায়েত নিয়ন্ত্রণে সরকারের এই পিছুটান মূলত ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরই বহিঃপ্রকাশ। ড. ইউনূস সরকারের আমলে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়া এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বর্তমানে রাষ্ট্রকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের অধীনে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠছে, অন্যদিকে নিরাপত্তার অজুহাতে ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় সমাবেশ ‘বিশ্ব ইজতেমা’র প্রাক-প্রস্তুতিমূলক অনুষ্ঠানও স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।

সরকারি কঠোর নির্দেশনার মুখে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে কোনো ধরনের জমায়েত না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাবলিগ জামাত। আগামী ২, ৩ ও ৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ‘খুরুজের জোড়’ উপলক্ষে নির্মিত প্যান্ডেলগুলো ইতোমধ্যে খুলে ফেলা হচ্ছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের (শুরায়ী নেজাম) মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, নির্বাচনের আগে তুরাগ তীরে কোনো ধরনের সমাবেশ না করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ফলে চিল্লার সাথীদের নিজ নিজ এলাকা থেকেই আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন মুরুব্বিরা।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে গুরুতর ও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছর মব সন্ত্রাস, রাজনৈতিক সহিংসতা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, কারা হেফাজতে মৃত্যু ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকোচন আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, পারিবারিক সহিংসতা এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও জবাবদিহির অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে গভীর সংকটজনক বলা হয়েছে। এ বছরে অন্তত ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হন ১০২ জন, আহত ৪,৭৪৪ জন। মব সন্ত্রাস, মতপ্রকাশ দমন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যায় নিহত ৩৮ জন এবং কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে ১০৭ জনের। ধর্ষণের ঘটনা ৭৪৯টি, নারী হত্যার শিকার ২১৭ জন। শিশু নির্যাতনের শিকার ১,০২৩ জন এবং নিহত ৪১০ জন। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর অন্তত ৪২টি হামলার তথ্য উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে ইজতেমার মতো বড় জমায়েত নিয়ন্ত্রণে সরকারের এই পিছুটান মূলত ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরই বহিঃপ্রকাশ। ড. ইউনূস সরকারের আমলে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়া এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বর্তমানে রাষ্ট্রকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ