Thursday, January 15, 2026

হাড়কাঁপানো শীতে মানবিক বিপর্যয়: ‘অথর্ব’ সরকারের উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ চরাঞ্চলবাসী

উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রতি বছর এই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতা দেখা গেলেও এবার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। অন্তর্বর্তী সরকারের চরম অব্যবস্থাপনা ও উদাসীনতার কারণে তীব্র শীতে কাঁপছে চরাঞ্চলের হাজারো অসহায় মানুষ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র ও কম্বল না পেয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের তীর এখন ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের দিকে।

ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় বসবাসকারী ষাটোর্ধ্ব মমেনা খাতুন তার নিদারুণ কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, “আমার মেয়ের ৬ সন্তানসহ ৮ জনের পরিবারে কোনো পুরুষ মানুষ নেই। এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় নাতি-নাতনিগুলো কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত একটা কম্বলও কপালে জোটেনি বাবা।”

একই করুণ দশা গৃহবধূ জহিরন বেগমের। তিনি বলেন, “ঠান্ডা পানিতে কাজ করে হাত-পা কুঁকড়ে গেছে। সন্তানসহ আমি অসুস্থ, কিন্তু ভালো ডাক্তার দেখানোর সামর্থ্য নেই। নদী পেরিয়ে উপজেলা সদরে যেতে অনেক খরচ, তাই টোটকা দিয়েই বাঁচার চেষ্টা করছি।”

স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে স্মরণ করছেন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের কথা। মাত্র দুই বছর আগেও শীতের শুরুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে শীতবস্ত্র ও কম্বল পৌঁছে দিত। বর্তমানে সেই তৎপরতা নেই বললেই চলে।

অভিযোগ উঠেছে, ড. ইউনূস গরিব মানুষের রক্তচুষে গ্রামীণের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বানালেও সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা বুঝতে তিনি ব্যর্থ। জনমানুষের নেতা না হয়ে স্রেফ ‘ব্যবসায়ী’ মানসিকতা পোষণ করায় আজ চরাঞ্চলের মানুষ বিনা চিকিৎসায় ও ঠান্ডায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

জনগণের এই চরম দুর্দিনে প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, তারা খবর পেলেই মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু যেখানে অর্থাভাবে মানুষ নদী পার হয়ে উপজেলা পরিষদে খবর দিতে যেতে পারছে না, সেখানে প্রশাসনের এমন ‘খবর পেলে যাব’ নীতিকে ‘অমানবিক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে অভিহিত করছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতার দখল নিয়ে ড. ইউনূসের সরকার দেশে যে শ্রেণি বৈষম্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে প্রান্তিক মানুষকে। বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত সেবক হিসেবে আওয়ামী লীগ যে অপরিহার্য, তা বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে। চরাঞ্চলবাসীর দাবি, এই ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ শক্তিকে হটিয়ে দেশে আবারো জনবান্ধব ও সেবামূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়া জরুরি।

উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রতি বছর এই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতা দেখা গেলেও এবার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। অন্তর্বর্তী সরকারের চরম অব্যবস্থাপনা ও উদাসীনতার কারণে তীব্র শীতে কাঁপছে চরাঞ্চলের হাজারো অসহায় মানুষ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র ও কম্বল না পেয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের তীর এখন ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের দিকে।

ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় বসবাসকারী ষাটোর্ধ্ব মমেনা খাতুন তার নিদারুণ কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, “আমার মেয়ের ৬ সন্তানসহ ৮ জনের পরিবারে কোনো পুরুষ মানুষ নেই। এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় নাতি-নাতনিগুলো কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত একটা কম্বলও কপালে জোটেনি বাবা।”

একই করুণ দশা গৃহবধূ জহিরন বেগমের। তিনি বলেন, “ঠান্ডা পানিতে কাজ করে হাত-পা কুঁকড়ে গেছে। সন্তানসহ আমি অসুস্থ, কিন্তু ভালো ডাক্তার দেখানোর সামর্থ্য নেই। নদী পেরিয়ে উপজেলা সদরে যেতে অনেক খরচ, তাই টোটকা দিয়েই বাঁচার চেষ্টা করছি।”

স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে স্মরণ করছেন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের কথা। মাত্র দুই বছর আগেও শীতের শুরুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে শীতবস্ত্র ও কম্বল পৌঁছে দিত। বর্তমানে সেই তৎপরতা নেই বললেই চলে।

অভিযোগ উঠেছে, ড. ইউনূস গরিব মানুষের রক্তচুষে গ্রামীণের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বানালেও সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা বুঝতে তিনি ব্যর্থ। জনমানুষের নেতা না হয়ে স্রেফ ‘ব্যবসায়ী’ মানসিকতা পোষণ করায় আজ চরাঞ্চলের মানুষ বিনা চিকিৎসায় ও ঠান্ডায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

জনগণের এই চরম দুর্দিনে প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, তারা খবর পেলেই মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু যেখানে অর্থাভাবে মানুষ নদী পার হয়ে উপজেলা পরিষদে খবর দিতে যেতে পারছে না, সেখানে প্রশাসনের এমন ‘খবর পেলে যাব’ নীতিকে ‘অমানবিক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে অভিহিত করছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতার দখল নিয়ে ড. ইউনূসের সরকার দেশে যে শ্রেণি বৈষম্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে প্রান্তিক মানুষকে। বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত সেবক হিসেবে আওয়ামী লীগ যে অপরিহার্য, তা বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে। চরাঞ্চলবাসীর দাবি, এই ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ শক্তিকে হটিয়ে দেশে আবারো জনবান্ধব ও সেবামূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়া জরুরি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ