অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত–শিবিরের দেশজুড়ে আগুন সন্ত্রাস—আইন কি আজ বাছাই করা জায়গাতেই পড়ে?
দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় ১৭ জন গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একই রাত ও একই সময়ের মধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, হামলা ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অথচ সেসব ঘটনায় গ্রেপ্তার, তদন্ত বা দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপের খবর প্রায় নেই বললেই চলে।
অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ–পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত–শিবির সারা দেশে পরিকল্পিত আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই—ভয় তৈরি করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দেওয়া এবং বিরোধী কণ্ঠ দমন।
একই সময়ে ও পরবর্তী সময়ে যেসব স্থানে সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে— খুলনায় বিক্ষোভ ও চট্টগ্রামে ভারতের হাইকমিশনের কার্যালয় ও বাসভবনে হামলা, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পুনরায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর; ছায়ানটের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ; কুষ্টিয়া, খুলনা ও রাজশাহীতে প্রথম আলো কার্যালয় ভাঙচুর; উত্তরায় ৩২টি দোকান ভাঙচুর ও এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ; সিলেটে প্রথম আলোর কার্যালয় ভাঙচুর; ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়ে হত্যা; চট্টগ্রামে প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবনে পুনরায় অগ্নিসংযোগ; সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের বাড়িতে আগুন; নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীরের ওপর হামলা; রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া; উদিচিতে হামলা।
এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে—এটি কোনো বিচ্ছিন্ন সহিংসতা নয়, বরং সমন্বিত আগুন সন্ত্রাসের নীলনকশা। এই দ্বিমুখী আইনপ্রয়োগই অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। রাষ্ট্র যদি এখনই নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থান না নেয়, তবে আগুন, ভাঙচুর আর মব সন্ত্রাসই দেশের নতুন “স্বাভাবিক” হয়ে উঠবে।
আইনের শাসন যদি দলীয় পরিচয়ে ভাগ হয়, তবে রাষ্ট্র নিজেই আগুনের জ্বালানি হয়ে দাঁড়ায়।

