Thursday, January 15, 2026

শিশু ধর্ষকের জামিন, মায়ের একাকী লড়াই ও ইউনুসের বাংলাদেশ ২.০

বগুড়ার একজন সার্জন মা তার পাঁচ বছরের মেয়ের রক্তমাখা প্যান্ট দেখে যা আশঙ্কা করেছিলেন, পরীক্ষা করে তাই সত্য বলে প্রমাণিত হলো। পেশাগত জীবনে যৌন নির্যাতনের শিকার শিশুদের চিকিৎসা করা এই চিকিৎসককে নিজের সন্তানের ক্ষেত্রে একই পরীক্ষা চালাতে হলো। শিশুটি থানায় নারী পুলিশ অফিসারকে বলেছে, “দাদু আমাকে ব্যথা দিয়েছে।” কিন্তু যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা থেকে এই মা ন্যায়বিচার আশা করেছিলেন, সেখান থেকে তিনি পেয়েছেন শুধু হতাশা।

মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার অবৈধ সরকার বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের মদদ এবং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহায়তায় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার মাধ্যমে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে। গণতন্ত্রের নামে যে ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার ফলাফল এখন প্রতিটি পরিবারে, প্রতিটি ঘরে অনুভূত হচ্ছে। বগুড়ার এই ঘটনা তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

ইউনূসের শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে কতটা ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে, এই ঘটনা তার প্রমাণ। একজন আশি বছর বয়সী ব্যক্তি তার নিজের নাতনির উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, কিন্তু মামলা হওয়ার পরপরই তিনি জামিন পেয়ে বেরিয়ে এসেছেন। বয়স এবং এজাহারে তথ্য স্পষ্ট নয় এই অজুহাতে একজন শিশু ধর্ষকের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। এই একই আদালত ব্যবস্থা কিন্তু জুলাই দাঙ্গার আগে ক্ষমতাসীন সরকারের কর্মী এবং সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় জামিন দিতে কার্পণ্য করত না কখনো। এখন যখন আসল অপরাধীরা ধরা পড়ছে, তখন তাদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে নানা অজুহাতে।

এই মায়ের সংগ্রামের দিকে তাকালে স্পষ্ট হয় যে ইউনূসের শাসনামলে ন্যায়বিচার পাওয়া কতটা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি একা লড়াই করছেন। তার স্বামী, শ্বশুরবাড়ির লোকজন কেউ তার পাশে নেই। মেয়ের রক্তমাখা প্যান্ট, যা প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল, তা রহস্যজনকভাবে হারিয়ে গেছে। বাসার সিসি ক্যামেরাও সেদিন কাজ করছিল না। পুলিশ যখন শিশুটির বক্তব্য নিয়েছে, তখন মাকে পাশে থাকতে দেওয়া হয়নি। ফরেনসিক রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি। এগুলো কি শুধুই কাকতালীয় ঘটনা, নাকি সুপরিকল্পিত প্রমাণ বিনষ্ট করার প্রচেষ্টা?

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় মামলা হয়েছে। কিন্তু মামলার ধারা নির্ধারণেই প্রশ্ন উঠছে। একজন শিশু যখন স্পষ্টভাবে বলছে তার দাদা তাকে ব্যথা দিয়েছে, একজন অভিজ্ঞ সার্জন মা যখন তার মেয়ের শরীরে নির্যাতনের সুস্পষ্ট চিহ্ন দেখতে পাচ্ছেন এবং দুজন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ যখন মিলে যাচ্ছে, তখনও কেন মামলার ধারা যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলো না? ইউনূসের প্রশাসন কি নিশ্চিত করতে পারে যে এই মামলার তদন্ত সঠিকভাবে হবে এবং অপরাধীর যথাযথ শাস্তি হবে?

ইউনূসের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, নারী ধর্ষণ, শিশু অপহরণের ঘটনা বেড়েছে কয়েকগুণ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে ব্যস্ত, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তারা ভুলে গেছে। যে সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, যাদের কোনো জনগণের ম্যান্ডেট নেই, তারা জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে এটা আশা করাই বোকামি।

বগুড়ার এই মায়ের মতো আরও হাজারো নারী এখন নীরবে কষ্ট ভোগ করছেন। তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা প্রতিদিন শঙ্কিত থাকছেন। ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশ এমন এক অন্ধকার যুগে প্রবেश করেছে যেখানে শিশুরা তাদের নিজের পরিবারেও নিরাপদ নয়, এবং ন্যায়বিচার পাওয়া একটি দুরূহ স্বপ্ন মাত্র।

যে সরকারের বৈধতা নেই, তাদের কাছ থেকে জনগণের নিরাপত্তা আশা করা যায় না। ইউনূস এবং তার দোসররা বিদেশি প্রভুদের সেবা করতে ব্যস্ত, দেশের মানুষের কষ্ট তাদের চোখে পড়ে না। জুলাইয়ের যে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারা ক্ষমতা দখল করেছে, তার মূল্য এখন দিচ্ছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দেশের নারী এবং শিশুরা। বগুড়ার এই শিশুটির আর্তনাদ শুধু একটি পরিবারের বেদনা নয়, এটি পুরো জাতির লজ্জা এবং ব্যর্থতার প্রতীক, যেখানে একটি অবৈধ সরকার দেশকে নিয়ে যাচ্ছে।

বগুড়ার একজন সার্জন মা তার পাঁচ বছরের মেয়ের রক্তমাখা প্যান্ট দেখে যা আশঙ্কা করেছিলেন, পরীক্ষা করে তাই সত্য বলে প্রমাণিত হলো। পেশাগত জীবনে যৌন নির্যাতনের শিকার শিশুদের চিকিৎসা করা এই চিকিৎসককে নিজের সন্তানের ক্ষেত্রে একই পরীক্ষা চালাতে হলো। শিশুটি থানায় নারী পুলিশ অফিসারকে বলেছে, “দাদু আমাকে ব্যথা দিয়েছে।” কিন্তু যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা থেকে এই মা ন্যায়বিচার আশা করেছিলেন, সেখান থেকে তিনি পেয়েছেন শুধু হতাশা।

মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার অবৈধ সরকার বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের মদদ এবং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহায়তায় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার মাধ্যমে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে। গণতন্ত্রের নামে যে ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার ফলাফল এখন প্রতিটি পরিবারে, প্রতিটি ঘরে অনুভূত হচ্ছে। বগুড়ার এই ঘটনা তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

ইউনূসের শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে কতটা ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে, এই ঘটনা তার প্রমাণ। একজন আশি বছর বয়সী ব্যক্তি তার নিজের নাতনির উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, কিন্তু মামলা হওয়ার পরপরই তিনি জামিন পেয়ে বেরিয়ে এসেছেন। বয়স এবং এজাহারে তথ্য স্পষ্ট নয় এই অজুহাতে একজন শিশু ধর্ষকের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। এই একই আদালত ব্যবস্থা কিন্তু জুলাই দাঙ্গার আগে ক্ষমতাসীন সরকারের কর্মী এবং সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় জামিন দিতে কার্পণ্য করত না কখনো। এখন যখন আসল অপরাধীরা ধরা পড়ছে, তখন তাদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে নানা অজুহাতে।

এই মায়ের সংগ্রামের দিকে তাকালে স্পষ্ট হয় যে ইউনূসের শাসনামলে ন্যায়বিচার পাওয়া কতটা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি একা লড়াই করছেন। তার স্বামী, শ্বশুরবাড়ির লোকজন কেউ তার পাশে নেই। মেয়ের রক্তমাখা প্যান্ট, যা প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল, তা রহস্যজনকভাবে হারিয়ে গেছে। বাসার সিসি ক্যামেরাও সেদিন কাজ করছিল না। পুলিশ যখন শিশুটির বক্তব্য নিয়েছে, তখন মাকে পাশে থাকতে দেওয়া হয়নি। ফরেনসিক রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি। এগুলো কি শুধুই কাকতালীয় ঘটনা, নাকি সুপরিকল্পিত প্রমাণ বিনষ্ট করার প্রচেষ্টা?

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় মামলা হয়েছে। কিন্তু মামলার ধারা নির্ধারণেই প্রশ্ন উঠছে। একজন শিশু যখন স্পষ্টভাবে বলছে তার দাদা তাকে ব্যথা দিয়েছে, একজন অভিজ্ঞ সার্জন মা যখন তার মেয়ের শরীরে নির্যাতনের সুস্পষ্ট চিহ্ন দেখতে পাচ্ছেন এবং দুজন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ যখন মিলে যাচ্ছে, তখনও কেন মামলার ধারা যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলো না? ইউনূসের প্রশাসন কি নিশ্চিত করতে পারে যে এই মামলার তদন্ত সঠিকভাবে হবে এবং অপরাধীর যথাযথ শাস্তি হবে?

ইউনূসের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, নারী ধর্ষণ, শিশু অপহরণের ঘটনা বেড়েছে কয়েকগুণ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে ব্যস্ত, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তারা ভুলে গেছে। যে সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, যাদের কোনো জনগণের ম্যান্ডেট নেই, তারা জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে এটা আশা করাই বোকামি।

বগুড়ার এই মায়ের মতো আরও হাজারো নারী এখন নীরবে কষ্ট ভোগ করছেন। তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা প্রতিদিন শঙ্কিত থাকছেন। ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশ এমন এক অন্ধকার যুগে প্রবেश করেছে যেখানে শিশুরা তাদের নিজের পরিবারেও নিরাপদ নয়, এবং ন্যায়বিচার পাওয়া একটি দুরূহ স্বপ্ন মাত্র।

যে সরকারের বৈধতা নেই, তাদের কাছ থেকে জনগণের নিরাপত্তা আশা করা যায় না। ইউনূস এবং তার দোসররা বিদেশি প্রভুদের সেবা করতে ব্যস্ত, দেশের মানুষের কষ্ট তাদের চোখে পড়ে না। জুলাইয়ের যে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারা ক্ষমতা দখল করেছে, তার মূল্য এখন দিচ্ছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দেশের নারী এবং শিশুরা। বগুড়ার এই শিশুটির আর্তনাদ শুধু একটি পরিবারের বেদনা নয়, এটি পুরো জাতির লজ্জা এবং ব্যর্থতার প্রতীক, যেখানে একটি অবৈধ সরকার দেশকে নিয়ে যাচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ