Monday, December 1, 2025

ম্যাজিক দেখিয়ে ব্যাংক খালি করছেন ইউনূস, এক বছরে খেলাপী ঋণ ৩ লাখ কোটি টাকা

দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলে টালমাটাল দেশের অর্থনীতি। তাদের লুটপাটে গত এক বছরে খেলাপী ঋণ বেড়ে তিন লাখ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছে, সরকারি মদদ ছাড়া এত অর্থ ঋণ খেলাপী দেখিয়ে বিভিন্ন দেশের পাচার করা হয়েছে। এ নিয়ে সম্প্রতি বিস্ফোরক তথ্য দেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন।

তিনি এক টেলিভিশন টকশোতে বলেন, এ অপকর্ম কারা করেছে? ব্যাংক থেকে কি চাইলেই টাকা নেওয়া যায়? তার এসব কথা থেকে স্পষ্ট সরকারের ইশারায় এ অপকর্ম ঘটানো হয়েছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে ব্যাংকিং খাতে। নোবেলবিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও দোসররা দেশের অর্থনীতি লুটেপুটে খাচ্ছে। আর এর কারণে বড়ো অঙ্কের আমানতকারীরা দ্রুতই ব্যাংক থেকে সরে যাচ্ছেন, কমে যাচ্ছে তাদের হিসাব ও জমা।

পরিসংখ্যান বলছে, মাত্র এক বছরে ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানতধারীর হিসাব ৭২টি থেকে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৬টিতে। একই সময় ২৫-৫০ কোটি টাকার হিসাব ১৫১টি থেকে নেমে এসেছে ৭৮টিতে। অর্থাৎ সরকার পরিবর্তনের পর অনেক অনেক বড় গ্রাহক ব্যাংক হিসাব গুটিয়ে নিচ্ছেন, যা ব্যাংকিং খাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজেকুজ্জামান রতনের অভিযোগ রাজনৈতিক, কিন্তু এতে সত্যতা আছে। ইউনূস সরকারের আমলে লুটপাটের অভিযোগ উঠলে জনমতের ওপর প্রভাব পড়বে। বড় গ্রাহকদের সরে যাওয়া দেখায় আস্থার অভাব, যা নির্বাচনের আগে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলে টালমাটাল দেশের অর্থনীতি। তাদের লুটপাটে গত এক বছরে খেলাপী ঋণ বেড়ে তিন লাখ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছে, সরকারি মদদ ছাড়া এত অর্থ ঋণ খেলাপী দেখিয়ে বিভিন্ন দেশের পাচার করা হয়েছে। এ নিয়ে সম্প্রতি বিস্ফোরক তথ্য দেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন।

তিনি এক টেলিভিশন টকশোতে বলেন, এ অপকর্ম কারা করেছে? ব্যাংক থেকে কি চাইলেই টাকা নেওয়া যায়? তার এসব কথা থেকে স্পষ্ট সরকারের ইশারায় এ অপকর্ম ঘটানো হয়েছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে ব্যাংকিং খাতে। নোবেলবিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও দোসররা দেশের অর্থনীতি লুটেপুটে খাচ্ছে। আর এর কারণে বড়ো অঙ্কের আমানতকারীরা দ্রুতই ব্যাংক থেকে সরে যাচ্ছেন, কমে যাচ্ছে তাদের হিসাব ও জমা।

পরিসংখ্যান বলছে, মাত্র এক বছরে ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানতধারীর হিসাব ৭২টি থেকে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৬টিতে। একই সময় ২৫-৫০ কোটি টাকার হিসাব ১৫১টি থেকে নেমে এসেছে ৭৮টিতে। অর্থাৎ সরকার পরিবর্তনের পর অনেক অনেক বড় গ্রাহক ব্যাংক হিসাব গুটিয়ে নিচ্ছেন, যা ব্যাংকিং খাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজেকুজ্জামান রতনের অভিযোগ রাজনৈতিক, কিন্তু এতে সত্যতা আছে। ইউনূস সরকারের আমলে লুটপাটের অভিযোগ উঠলে জনমতের ওপর প্রভাব পড়বে। বড় গ্রাহকদের সরে যাওয়া দেখায় আস্থার অভাব, যা নির্বাচনের আগে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ