Monday, December 1, 2025

পাকিস্তানি দোসরের ছায়ায় বাংলাদেশি বিচারব্যবস্থা, সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ

বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা আজ এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক ঘটনায় দেখা গেছে, আইসিটি আদালত ও সুপ্রিম কোর্টে নেওয়া একপক্ষীয় রায় এবং আইনের সামরিকশাসনের আদলে ব্যবহার শুধু দেশের আইনের সম্মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা হারানোর আশঙ্কা তৈরি করছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা এবং তড়িঘড়ি রায় ঘোষণা, আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়ে গেছে, দেশের শীর্ষ আদালতগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না এবং অনেকাংশে বহিরাগত প্রভাবের আওতায় রয়েছে।

জনগণ মনে করছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার পরামর্শ ও ভূমিকার প্রভাব বাংলাদেশের বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রবল। স্বাধীনতা বিরোধী এবং পাকিস্তানি দোসর হিসেবে পরিচিত গোষ্ঠী আদালতকে ব্যবহার করছে তাদের রাজনৈতিক প্রতিশোধের জন্য। এই প্রেক্ষাপটে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তীব্র; তারা মনে করছে বিচারব্যবস্থা ন্যায়ের জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একদিকে জামাত-শিবির ও স্বাধীনতা বিরোধীরা আদালতে মুক্তভাবে চলাফেরা করছে, অপরদিকে জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের প্রতি অস্বাভাবিক অনুকম্পা প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

জনগণের আরও দাবি, বিচারব্যবস্থায় অনিয়ম ও পক্ষপাতদুষ্ট উপায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকদের অপসারণ করা হোক। তারা মনে করছে, বিতর্কিত ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত নিয়োগের কারণে বিচারব্যবস্থা স্বাধীনতার পথ হারাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার কারণে দেশের আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছে। জনগণ আশা করে, আদালতগুলো স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, যাতে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয় এবং দেশের স্বার্থে বিদেশি প্রভাব দূর করা যায়।

দেশের অনেকেই মনে করছে, এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের শীর্ষ আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা অতীব জরুরি। জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে বিচারব্যবস্থার শীর্ষে থাকা অনিয়ম, প্রতিহিংসা ও রাজনৈতিক প্রভাব দূর করা অপরিহার্য। বিচারপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা হলে নাগরিকদের মধ্যে দেশের প্রতি আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি কমবে।

বাংলাদেশের জনগণ ন্যায়বিচারের পূর্ণতা ও স্বাধীন বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছে। তারা আশা করে, দেশের আদালত ও বিচারকরা সংবিধানসম্মত কর্তব্য পালনে অবিচল থাকবে এবং গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে। দেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীল রাখতে এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এটাই একমাত্র পথ সেনা বাহিনীর হস্তক্ষেপ।

বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা আজ এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক ঘটনায় দেখা গেছে, আইসিটি আদালত ও সুপ্রিম কোর্টে নেওয়া একপক্ষীয় রায় এবং আইনের সামরিকশাসনের আদলে ব্যবহার শুধু দেশের আইনের সম্মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা হারানোর আশঙ্কা তৈরি করছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা এবং তড়িঘড়ি রায় ঘোষণা, আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়ে গেছে, দেশের শীর্ষ আদালতগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না এবং অনেকাংশে বহিরাগত প্রভাবের আওতায় রয়েছে।

জনগণ মনে করছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার পরামর্শ ও ভূমিকার প্রভাব বাংলাদেশের বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রবল। স্বাধীনতা বিরোধী এবং পাকিস্তানি দোসর হিসেবে পরিচিত গোষ্ঠী আদালতকে ব্যবহার করছে তাদের রাজনৈতিক প্রতিশোধের জন্য। এই প্রেক্ষাপটে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তীব্র; তারা মনে করছে বিচারব্যবস্থা ন্যায়ের জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একদিকে জামাত-শিবির ও স্বাধীনতা বিরোধীরা আদালতে মুক্তভাবে চলাফেরা করছে, অপরদিকে জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের প্রতি অস্বাভাবিক অনুকম্পা প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

জনগণের আরও দাবি, বিচারব্যবস্থায় অনিয়ম ও পক্ষপাতদুষ্ট উপায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকদের অপসারণ করা হোক। তারা মনে করছে, বিতর্কিত ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত নিয়োগের কারণে বিচারব্যবস্থা স্বাধীনতার পথ হারাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার কারণে দেশের আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছে। জনগণ আশা করে, আদালতগুলো স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, যাতে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয় এবং দেশের স্বার্থে বিদেশি প্রভাব দূর করা যায়।

দেশের অনেকেই মনে করছে, এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের শীর্ষ আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা অতীব জরুরি। জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে বিচারব্যবস্থার শীর্ষে থাকা অনিয়ম, প্রতিহিংসা ও রাজনৈতিক প্রভাব দূর করা অপরিহার্য। বিচারপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা হলে নাগরিকদের মধ্যে দেশের প্রতি আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি কমবে।

বাংলাদেশের জনগণ ন্যায়বিচারের পূর্ণতা ও স্বাধীন বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছে। তারা আশা করে, দেশের আদালত ও বিচারকরা সংবিধানসম্মত কর্তব্য পালনে অবিচল থাকবে এবং গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে। দেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীল রাখতে এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এটাই একমাত্র পথ সেনা বাহিনীর হস্তক্ষেপ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ