Monday, December 1, 2025

ইউনূসের অদক্ষতায় দেশের প্রতি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ এখন লাখের ওপরে

অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতায় দেশের প্রতি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ এখন লাখের ওপরে। তথ্য বলছে, বাজেট বাস্তবায়ন, উন্নয়ন প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয়, কম রাজস্ব আদায় এবং পরিচালন ব্যয় মেটাতে ঋণনির্ভরতা বাড়ায় দেশের সরকারি ঋণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ কোটি টাকার বেশি। এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে মাথাপিছু ঋণের ওপর। বর্তমানে দেশের প্রতি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ আজ যে শিশু জন্ম নেবে, তার জন্মের প্রথম দিনেই এত টাকা ঋণের দায় বহন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন পর্যন্ত সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ মিলিয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৫২ হাজার ১১১ কোটি টাকা। দেশের জনসংখ্যা বিবেচনায় এতে মাথাপিছু ঋণ দাঁড়ায় এক লাখ ২৬ হাজার ৫৯৫ টাকা। অন্যদিকে দেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় এখন দুই হাজার ৮২০ ডলার বা প্রায় তিন লাখ ৪১ হাজার ২২০ টাকা। যদিও আয় মাথাপিছু ঋণের চেয়ে বেশি, তবুও দ্রুত বাড়তে থাকা ঋণ এবং সুদ পরিশোধের চাপ সরকারের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

গত পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ সময়ে দেশের মাথাপিছু ঋণ বেড়েছে ২৩৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ২০২০ সালের জুনে মাথাপিছু ঋণ ছিল মাত্র ৩৭ হাজার ৬৩৮ টাকা, যা এখন তিন গুণেরও বেশি হয়েছে। একই সময়ে সরকারের মোট দেশি-বিদেশি ঋণও বেড়েছে ২৪০ শতাংশ। ২০২০ সালে যেখানে মোট ঋণ ছিল ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭ কোটি টাকা, সেখানে এখন তা ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

২০২০ সালের ঋণের গঠন অনুযায়ী, সেই সময় বিদেশি ঋণ ছিল ৪৮ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার, যা টাকার হিসেবে চার লাখ ১৩ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ১৯ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণ ছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের মাধ্যমে নেওয়া ঋণ ছিল ৩৮ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব বলছে, চলতি বছরের জুন শেষে সরকারের বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৩৪২ কোটি ডলার। ডলারের বিনিময় হার ১২১ টাকা ধরা হলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ লাখ ৩০ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা। একই সময়ে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ২১ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণ পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার ২৮ কোটি এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া ঋণ চার লাখ ৭৫ হাজার ৭০১ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৫২ হাজার ১১১ কোটি টাকা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যে গতিতে রাষ্ট্রীয় ঋণ বাড়ছে, তা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে নীতিনির্ধারণে গুরুতর অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অর্থনৈতিক পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা, দুর্বল আর্থিক শৃঙ্খলা এবং রাজস্ব কাঠামোর স্পষ্ট ভাঙন দেখা গেছে। এর দায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেভাবেই ব্যাখ্যা করুক, বাস্তবতা হলো—এই ব্যর্থতার বোঝা গিয়েই জনতার মাথায় চাপছে ‘মাথাপিছু ঋণ’ আকারে।”

অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতায় দেশের প্রতি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ এখন লাখের ওপরে। তথ্য বলছে, বাজেট বাস্তবায়ন, উন্নয়ন প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয়, কম রাজস্ব আদায় এবং পরিচালন ব্যয় মেটাতে ঋণনির্ভরতা বাড়ায় দেশের সরকারি ঋণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ কোটি টাকার বেশি। এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে মাথাপিছু ঋণের ওপর। বর্তমানে দেশের প্রতি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ আজ যে শিশু জন্ম নেবে, তার জন্মের প্রথম দিনেই এত টাকা ঋণের দায় বহন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন পর্যন্ত সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ মিলিয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৫২ হাজার ১১১ কোটি টাকা। দেশের জনসংখ্যা বিবেচনায় এতে মাথাপিছু ঋণ দাঁড়ায় এক লাখ ২৬ হাজার ৫৯৫ টাকা। অন্যদিকে দেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় এখন দুই হাজার ৮২০ ডলার বা প্রায় তিন লাখ ৪১ হাজার ২২০ টাকা। যদিও আয় মাথাপিছু ঋণের চেয়ে বেশি, তবুও দ্রুত বাড়তে থাকা ঋণ এবং সুদ পরিশোধের চাপ সরকারের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

গত পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ সময়ে দেশের মাথাপিছু ঋণ বেড়েছে ২৩৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ২০২০ সালের জুনে মাথাপিছু ঋণ ছিল মাত্র ৩৭ হাজার ৬৩৮ টাকা, যা এখন তিন গুণেরও বেশি হয়েছে। একই সময়ে সরকারের মোট দেশি-বিদেশি ঋণও বেড়েছে ২৪০ শতাংশ। ২০২০ সালে যেখানে মোট ঋণ ছিল ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭ কোটি টাকা, সেখানে এখন তা ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

২০২০ সালের ঋণের গঠন অনুযায়ী, সেই সময় বিদেশি ঋণ ছিল ৪৮ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার, যা টাকার হিসেবে চার লাখ ১৩ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ১৯ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণ ছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের মাধ্যমে নেওয়া ঋণ ছিল ৩৮ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব বলছে, চলতি বছরের জুন শেষে সরকারের বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৩৪২ কোটি ডলার। ডলারের বিনিময় হার ১২১ টাকা ধরা হলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ লাখ ৩০ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা। একই সময়ে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ২১ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণ পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার ২৮ কোটি এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া ঋণ চার লাখ ৭৫ হাজার ৭০১ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৫২ হাজার ১১১ কোটি টাকা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যে গতিতে রাষ্ট্রীয় ঋণ বাড়ছে, তা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে নীতিনির্ধারণে গুরুতর অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অর্থনৈতিক পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা, দুর্বল আর্থিক শৃঙ্খলা এবং রাজস্ব কাঠামোর স্পষ্ট ভাঙন দেখা গেছে। এর দায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেভাবেই ব্যাখ্যা করুক, বাস্তবতা হলো—এই ব্যর্থতার বোঝা গিয়েই জনতার মাথায় চাপছে ‘মাথাপিছু ঋণ’ আকারে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ