Monday, December 1, 2025

পশ্চিমা প্রেসক্রিপশনে এবার রাজনীতি দল সামলাবেন আলী রীয়াজ, টার্গেট নির্বাচন বানচাল

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. আলী রীয়াজ এবার রাজনীতি সামলাবেন। খোঁজ-খবর রাখাসহ নজর রাখবেন রাজনীতির গতিপথের ওপর। বিশেষ করে নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়- সেদিকেই বিশেষ নজর থাকবে তার। আপাতত এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রফেসর আলী রীয়াজকে।

সূত্র বলছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ আমেরিকা গিয়ে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে প্রেসক্রিপশন নিয়ে এসেছেন।

আমেরিকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ঠিকানার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানগত গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এশিয়া-আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। চীনের নৌসামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নৌঘাঁটি করার প্রস্তাব দিয়েছে। তারা ৯৯ বছরের জন্য দ্বীপের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লিজ নিতে চায়। যদিও বাংলাদেশ সরকার মার্কিন পরিকল্পনার বিপক্ষে নয়, তবে চীন বা ভারতের বিরোধিতার ঝুঁকিও নিতে চাইছে না।

প্রথম ধাপে দ্বীপের একটি অংশ বিদেশিদের জন্য প্রমোদকেন্দ্র হিসেবে লিজ দেওয়া হতে পারে। পরবর্তী সময়ে এটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে রূপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র বলছে, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে একটি “খ্রিস্টান রাজ্য” গঠনের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা পূর্ব তিমুরের ঘটনার সাথে তুলনা করা হচ্ছে।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের দাবি, তাঁকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এবার যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. রীয়াজকে রাজনৈতিক দল সামলানোর দায়িত্ব দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগে ড. আলী রীয়াজ ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ছিলেন। তাকে নিয়ে ছিল নানা ধরনের সমালোচনা ।

সংবিধান অনুযায়ী, উপদেষ্টা হতে হলে শপথ নিতে হয়। কিন্তু আলী রীয়াজের রয়েছে মার্কিন নাগরিকত্ব। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে শপথ নেয়ার সুযোগ নেই। তাই তাকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সূত্র বলছে, ঐকমত্য কমিশনের রিপোর্ট জমা দেয়ার পর ড. রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি নানা ধরনের পরামর্শ নিয়ে এসেছেন যেন পশ্চিমাদের চাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন আটকানো যায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যে-কোনো অস্থির রাজনৈতিক সময়ে বিদেশি চক্র, প্রক্সি নেতৃত্ব, কিংবা নির্বাচন বানচাল করার ‘প্রেসক্রিপশন থাকে। এর উদ্দেশ্য সাধারণত স্পষ্ট—দেশের ভেতরের শক্তিগুলোর প্রতি সন্দেহ তৈরি করানো, যাদের প্রতি জনসমর্থন রয়েছে তাদের চাপে ফেলা, এবং নিজেদের অবস্থানকে ‘রক্ষাকারী শক্তি’ হিসেবে দাঁড় করানো।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. আলী রীয়াজ এবার রাজনীতি সামলাবেন। খোঁজ-খবর রাখাসহ নজর রাখবেন রাজনীতির গতিপথের ওপর। বিশেষ করে নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়- সেদিকেই বিশেষ নজর থাকবে তার। আপাতত এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রফেসর আলী রীয়াজকে।

সূত্র বলছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ আমেরিকা গিয়ে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে প্রেসক্রিপশন নিয়ে এসেছেন।

আমেরিকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ঠিকানার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানগত গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এশিয়া-আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। চীনের নৌসামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নৌঘাঁটি করার প্রস্তাব দিয়েছে। তারা ৯৯ বছরের জন্য দ্বীপের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লিজ নিতে চায়। যদিও বাংলাদেশ সরকার মার্কিন পরিকল্পনার বিপক্ষে নয়, তবে চীন বা ভারতের বিরোধিতার ঝুঁকিও নিতে চাইছে না।

প্রথম ধাপে দ্বীপের একটি অংশ বিদেশিদের জন্য প্রমোদকেন্দ্র হিসেবে লিজ দেওয়া হতে পারে। পরবর্তী সময়ে এটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে রূপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র বলছে, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে একটি “খ্রিস্টান রাজ্য” গঠনের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা পূর্ব তিমুরের ঘটনার সাথে তুলনা করা হচ্ছে।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের দাবি, তাঁকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এবার যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. রীয়াজকে রাজনৈতিক দল সামলানোর দায়িত্ব দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগে ড. আলী রীয়াজ ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ছিলেন। তাকে নিয়ে ছিল নানা ধরনের সমালোচনা ।

সংবিধান অনুযায়ী, উপদেষ্টা হতে হলে শপথ নিতে হয়। কিন্তু আলী রীয়াজের রয়েছে মার্কিন নাগরিকত্ব। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে শপথ নেয়ার সুযোগ নেই। তাই তাকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সূত্র বলছে, ঐকমত্য কমিশনের রিপোর্ট জমা দেয়ার পর ড. রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি নানা ধরনের পরামর্শ নিয়ে এসেছেন যেন পশ্চিমাদের চাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন আটকানো যায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যে-কোনো অস্থির রাজনৈতিক সময়ে বিদেশি চক্র, প্রক্সি নেতৃত্ব, কিংবা নির্বাচন বানচাল করার ‘প্রেসক্রিপশন থাকে। এর উদ্দেশ্য সাধারণত স্পষ্ট—দেশের ভেতরের শক্তিগুলোর প্রতি সন্দেহ তৈরি করানো, যাদের প্রতি জনসমর্থন রয়েছে তাদের চাপে ফেলা, এবং নিজেদের অবস্থানকে ‘রক্ষাকারী শক্তি’ হিসেবে দাঁড় করানো।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ