বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে “প্রহসনমূলক” উল্লেখ করে কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন দেশে–বিদেশে অবস্থানরত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ১০১ জন প্রকৌশলী। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা বিষয়টিকে গভীর উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রকৌশলীরা দাবি করেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অবকাঠামোগত অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এই বিচারিক প্রক্রিয়া সাজানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের জন্য নীরব থাকা এখন আর সম্ভব নয়।
প্রকৌশলী সমাজ অভিযোগ করেছে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে “অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী” ইউনুস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যপরিধি সংশোধন করে যে অধ্যাদেশ জারি করেছেন, তা তাদের মতে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনগত এখতিয়ার-বহির্ভূত। তাই এই ধরণের আদালতে শেখ হাসিনা বা তাঁর সরকারের কারো বিচার গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে তারা জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের আইনজীবী স্টিভেন পাওলস কেসি ও তাতিয়ানা ইটওয়েল জাতিসংঘে দাখিল করা এক জরুরি আবেদনে এই বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুতর আইনি অনিয়ম ও প্রক্রিয়াগত অসামঞ্জস্যের আশঙ্কা তুলে ধরেছেন। তাদের পর্যবেক্ষণে তিনটি প্রধান উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে— অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা ও মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাব্য ঝুঁকি, বিচারক ও প্রসিকিউটরের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অভিযোগ, নির্বাচনী বা সিলেক্টিভ জাস্টিসের শঙ্কা।
প্রকৌশলীরা বলেন, দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে অবিলম্বে “অবৈধ সরকারের অবৈধ অধ্যাদেশে গঠিত আদালতের” কার্যক্রম বন্ধ না হলে মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত থাকবে। তাদের ভাষায়, বিচার প্রক্রিয়ায় নেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। তারা পুরো বিচার প্রক্রিয়াকে “ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান” করেন এবং জানান, এই কোর্টের রায় তারা মানেন না, মানবেনও না।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির শেষে ১০১ জন প্রকৌশলী যৌথভাবে স্বাক্ষর করেন। তারা হলেন— প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সবুর, প্রকৌশলী শফিকুর রহমান অনু, প্রকৌশলী নাজমুল আহসান, প্রকৌশলী মোঃ হোসাইন, প্রকৌশলী মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রকৌশলী স্নেহাশিস ভৌমিক, প্রকৌশলী আবুল হোসেন, প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান, প্রকৌশলী মোঃ মুজিব, প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, প্রকৌশলী আমিনুল হক পলাশ, প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন, প্রকৌশলী খোকন, প্রকৌশলী মোঃ পলাশ, প্রকৌশলী মসিউর রহমান, প্রকৌশলী মোঃ দোলন, প্রকৌশলী মোঃ হাবিব, প্রকৌশলী মাহমুদ শাজাহান, প্রকৌশলী রেসাদ, প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মোহন, প্রকৌশলী সাহাবুদ্দিন মোহাম্মদ, প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার, প্রকৌশলী আমজাদ হোসাইন, প্রকৌশলী রফিকুল আলম, প্রকৌশলী দীপন কর দীপন, প্রকৌশলী আঞ্জুমান ইসলাম, প্রকৌশলী মোঃ ইমরান, প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, প্রকৌশলী আব্দুল মতিন, প্রকৌশলী আব্দুল জলিল, প্রকৌশলী আব্দুল কাদের, প্রকৌশলী খন্দকার কুদরত, প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুস, প্রকৌশলী মোঃ মোজাম্মেল, প্রকৌশলী মোঃ হাবিবুল্লাহ, প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, প্রকৌশলী আব্দুর রোউফ, প্রকৌশলী আব্দুল মতিন।
প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, প্রকৌশলী মোঃ রিয়াজ শেখ, প্রকৌশলী শেখ ওয়ালিউল্লাহ, প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, প্রকৌশলী স.ম ফেরদৌস, প্রকৌশলী অসীম পোদ্দার, প্রকৌশলী দেবাশীষ সাহা, প্রকৌশলী সুরঞ্জন চক্রবর্তী, প্রকৌশলী নিরঞ্জন সূত্রধর, প্রকৌশলী সুকুমার পালিত, প্রকৌশলী আবুল কালাম, প্রকৌশলী নুরুল আবসার, প্রকৌশলী ইকবাল হোসাইন, প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল, প্রকৌশলী আবুল বাশার, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশলী পথিক সাহা, প্রকৌশলী সোহরাব হোসাইন ভূঁইয়া, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, প্রকৌশলী জিয়াউল হাসান, প্রকৌশলী কাদের নেওয়াজ, প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল্লাহ, প্রকৌশলী তৃপ্তিময় ঘোষাল, প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর, প্রকৌশলী বেগম ফারজানা, প্রকৌশলী বেগম নুসরাত, প্রকৌশলী ডক্টর ইলিয়াস, প্রকৌশলী মোঃ নাসিরুদ্দিন, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, প্রকৌশলী প্রাণ কানাই সাহা, প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, প্রকৌশলী সামসুদ্দিন চৌধুরী, প্রকৌশলী উত্তম চক্রবর্তী, প্রকৌশলী মোঃ মাইনুদ্দিন, প্রকৌশলী মনোজকুমার বণিক।
প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক, প্রকৌশলী অশোক চক্রবর্তী, প্রকৌশলী আলাউদ্দিন আহমেদ, প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম, প্রকৌশলী মোঃ বেলাল, প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান, প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান, প্রকৌশলী আরিফুর রহমান, প্রকৌশলী এরশাদউল্লাহ, প্রকৌশলী আব্দুল ওয়াদুদ, প্রকৌশলী শিহাবউদ্দিন, প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ, প্রকৌশলী কামরুল হাসান, প্রকৌশলী আমিনুর রশিদ, প্রকৌশলী আব্দুর রহমান, প্রকৌশলী মনসুরুল হক, প্রকৌশলী ফজলুর রহমান, প্রকৌশলী আব্দুস সাদেক, প্রকৌশলী পীযুষ সাহা, প্রকৌশলী জহির আহমেদ, প্রকৌশলী আসিরুল ইসলাম, প্রকৌশলী গোপাল ভৌমিক, প্রকৌশলী মোঃ ফারুক এ. খান, প্রকৌশলী রাসেল সরকার, প্রকৌশলী মোঃ সেলিমুল্লাহ, প্রকৌশলী মনোরঞ্জন পাল।

