Monday, December 1, 2025

শেখ হাসিনার নামে মিথ্যা মামলা, ইউনুসের অপতৎপরতায় ক্ষুব্ধ বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলো

বাংলাদেশের ইতিহাসে ন্যায়বিচারের নামে এমন নির্মম প্রহসনের দৃষ্টান্ত বিরল। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আজ পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ারে। যে আদালত একসময় মানবতার শত্রুদের বিচারের প্রতীক ছিল, সেই একই আদালতে আজ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নামে মিথ্যা মামলা চলছে—এ যেন জাতির বিবেকের ওপর এক গভীর আঘাত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব মামলার ভিত্তি যে সম্পূর্ণ ভুয়া ও মনগড়া, তা প্রমাণিত হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও প্রত্যক্ষ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে। যারা মেট্রোরেল পুড়িয়েছে, যারা বিটিভি, সেতু ভবনসহ সরকারি স্থাপনা জ্বালিয়ে দিয়েছে—তারা নিজেরাই টেলিভিশনের পর্দায় স্বীকার করেছে এসব ঘটনার দায়। সংবাদ মাধ্যমগুলো সাক্ষাৎকার ও প্রতিবেদনসহ তাদের স্বীকারোক্তি প্রচার করেছে। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, এই সত্যগুলো গোপন রেখে শেখ হাসিনার নামে মামলা তৈরি করা হয়েছে। এটি শুধু অন্যায় নয়, ন্যায়বিচারের সঙ্গে এক নির্মম প্রহসন।

এই নাটকের নেপথ্যে রয়েছে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও তথাকথিত উপদেষ্টা, যারা মানবতার মুখোশ পরে গণতন্ত্রের শত্রুদের হয়ে কাজ করছে। জানা গেছে, জামাত-শিবিরপন্থী কিছু ব্যক্তি মিথ্যা তথ্য সংকলন করে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে, যা পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনুস জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনে জমা দেন। এতে শেখ হাসিনার সরকারকে অভিযুক্ত করে বাস্তবতা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি সরাসরি অবমাননা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের বৈধ সরকারের ওপর যে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের ঘটনা ঘটে, সেটি নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে তাদের নিজ নিজ রিপোর্ট তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অস্ট্রেলিয়ার সরকারসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘে পৃথক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এসব রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—বাংলাদেশে বর্তমান প্রশাসন অবৈধভাবে গঠিত এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইসিটি আদালতে মামলা চালানো হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

বিশ্বখ্যাত আইনজীবী ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরাও মত দিয়েছেন—আইসিটি আদালতে শেখ হাসিনার বিচার করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারণ, এই আদালতের এখতিয়ার কেবলমাত্র ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোনো রাজনৈতিক নেতা বা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই আদালত মামলা গ্রহণ করতে পারে না। ফলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই আইনি প্রহসন কেবল বেআইনি নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীন বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র।

আজ জাতি প্রশ্ন করছে—যারা দেশ জ্বালিয়ে ছাই করেছে, যারা জনগণের সম্পদ ধ্বংস করে গর্ব করে টেলিভিশনে স্বীকার করেছে, তারা কেনো বিচারের বাইরে? আর বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা, যিনি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছেন, তাকে কেনো অভিযুক্ত করা হচ্ছে?

এই প্রহসনের অবসান চাই। ন্যায়বিচারের নামে অন্যায়ের এই খেলা বন্ধ করতে হবে। ইতিহাস সাক্ষী—মিথ্যার ওপর কোনো রাষ্ট্র টেকে না, অন্যায়ের ওপর কোনো বিচার টিকে না। সত্য একদিন প্রকাশ পেতেই হবে, আর তখন প্রমাণ হবে—শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই সমস্ত অভিযোগ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ন্যায়বিচারের নামে এমন নির্মম প্রহসনের দৃষ্টান্ত বিরল। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আজ পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ারে। যে আদালত একসময় মানবতার শত্রুদের বিচারের প্রতীক ছিল, সেই একই আদালতে আজ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নামে মিথ্যা মামলা চলছে—এ যেন জাতির বিবেকের ওপর এক গভীর আঘাত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব মামলার ভিত্তি যে সম্পূর্ণ ভুয়া ও মনগড়া, তা প্রমাণিত হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও প্রত্যক্ষ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে। যারা মেট্রোরেল পুড়িয়েছে, যারা বিটিভি, সেতু ভবনসহ সরকারি স্থাপনা জ্বালিয়ে দিয়েছে—তারা নিজেরাই টেলিভিশনের পর্দায় স্বীকার করেছে এসব ঘটনার দায়। সংবাদ মাধ্যমগুলো সাক্ষাৎকার ও প্রতিবেদনসহ তাদের স্বীকারোক্তি প্রচার করেছে। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, এই সত্যগুলো গোপন রেখে শেখ হাসিনার নামে মামলা তৈরি করা হয়েছে। এটি শুধু অন্যায় নয়, ন্যায়বিচারের সঙ্গে এক নির্মম প্রহসন।

এই নাটকের নেপথ্যে রয়েছে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও তথাকথিত উপদেষ্টা, যারা মানবতার মুখোশ পরে গণতন্ত্রের শত্রুদের হয়ে কাজ করছে। জানা গেছে, জামাত-শিবিরপন্থী কিছু ব্যক্তি মিথ্যা তথ্য সংকলন করে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে, যা পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনুস জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনে জমা দেন। এতে শেখ হাসিনার সরকারকে অভিযুক্ত করে বাস্তবতা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি সরাসরি অবমাননা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের বৈধ সরকারের ওপর যে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের ঘটনা ঘটে, সেটি নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে তাদের নিজ নিজ রিপোর্ট তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অস্ট্রেলিয়ার সরকারসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘে পৃথক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এসব রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—বাংলাদেশে বর্তমান প্রশাসন অবৈধভাবে গঠিত এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইসিটি আদালতে মামলা চালানো হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

বিশ্বখ্যাত আইনজীবী ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরাও মত দিয়েছেন—আইসিটি আদালতে শেখ হাসিনার বিচার করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারণ, এই আদালতের এখতিয়ার কেবলমাত্র ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোনো রাজনৈতিক নেতা বা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই আদালত মামলা গ্রহণ করতে পারে না। ফলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই আইনি প্রহসন কেবল বেআইনি নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীন বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র।

আজ জাতি প্রশ্ন করছে—যারা দেশ জ্বালিয়ে ছাই করেছে, যারা জনগণের সম্পদ ধ্বংস করে গর্ব করে টেলিভিশনে স্বীকার করেছে, তারা কেনো বিচারের বাইরে? আর বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা, যিনি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছেন, তাকে কেনো অভিযুক্ত করা হচ্ছে?

এই প্রহসনের অবসান চাই। ন্যায়বিচারের নামে অন্যায়ের এই খেলা বন্ধ করতে হবে। ইতিহাস সাক্ষী—মিথ্যার ওপর কোনো রাষ্ট্র টেকে না, অন্যায়ের ওপর কোনো বিচার টিকে না। সত্য একদিন প্রকাশ পেতেই হবে, আর তখন প্রমাণ হবে—শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই সমস্ত অভিযোগ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ